অতীত ভুল শোধরাতে চান কিউইরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক:উপমহাদেশ সফরে বারবার স্পিনে হার মেনেছে নিউজিল্যান্ড দল। ২০১০ সালের ওয়ানডে সিরিজে ৪-০ জয় পান স্বাগতিক বাংলাদেশ। এবার সে ভুল শোধরাতে চান কিউইরা। তাই বুধবার বাংলাদেশের বিপক্ষে শুরু হওয়া সিরিজে স্পিনকেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ম্যাককালাম।
দলে টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা লেগ স্পিনার ইশ সোধির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘যদি সে এ টেস্টে সুযোগ পায় তাহলে সে খুব ভালো করবে। কারণ সে ব্যাতিক্রমী ও মেধাবী। তার বোলিং স্টাইল বৈচিত্রময়’। এসময় ইশ সোধিকে নিয়ে ড্যানিয়েল ভেট্টরির প্রশংসারও উল্লেখ করেন তিনি।
বুধবার প্রথম টেস্টের আগে মঙ্গলবার জহুরুল হক চৌধুরী স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে কিউই এ অধিনায়ক বলেন, ‘২০১০ সালের সিরিজে বাংলাদেশের বিপক্ষে আমরা হেরেছিলাম। এ হারের পেছনে সাকিবের ভালো পারফরম্যান্স আমাদের কাবু করেছে।
সে এখন আরো পরিনত। তাই এবার তাকে নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া গতবারের ম্যাচ থেকে আমরা শিক্ষা নিয়েছি। সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। ওই সময় আমাদের প্রস্তুতিও খারাপ ছিল। আমরা ২০১০ সালের আর পূনরাবৃত্তি দেখতে চাই না।’
২০১২ সালের টুয়েন্টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫৮ বলে ১২৩ রান নেন হার্ডহিটার এ ব্যাটসম্যান। এবারও বাংলাদেশের বিপক্ষে ভালো খেলার প্রত্যাশা করেন। প্রথম টেস্টেই জয় তুলে নিতে চান কিউই দলের এ অধিনায়ক।
আদালতের ছাড়পত্র
পেলেন শ্রীনি
ভারত ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই) প্রধানের দায়িত্বে আবারও কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন এন. শ্রীনিবাসন। মঙ্গলবার দেশের উচ্চ আদালত তাকে দায়িত্ব বুঝে নিতে অনুমতি দিয়েছেন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়ায় ও আইপিএলে দুর্নীতি নিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ কোনো অভিযোগ না থাকায় এই আদেশ দেন আদালত।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আরও এক বছরের জন্য নির্বাচিত হন শ্রীনিবাসন।
আইপিএলের গত আসরে ম্যাচ পাতানো নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত প্যানেলকেও অনুমোদন দিয়েছেন আদালত। তবে তদন্ত কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না শ্রীনিবাসন। চার মাসের মধ্যে এই প্যানেল তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।
চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে জামাতা গুরুনাথ মেয়াপ্পন গ্রেফতার করা হলে সাময়িকভাবে বোর্ড প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়ান শ্রীনিবাসন। বোর্ডে তার সংশ্লিষ্টতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে উচ্চ আদালতের কাছে আবেদনও করেছিল বিহারের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। যার ফলে তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েও কার্যক্রম শুরু করতে পারছিলেন না ৬৮ বছর বয়সী এই কর্মকর্তা।