কেশবপুর ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:যশোরের কেশবপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের ৩১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন অনুমোদিত এ কমিটিতে কাজী আজাহারুল ইসলাম মানিককে আহবায়ক এবং হাবিবুর রহমান খান মুকুল, খন্দকার আজিজুল ইসলাম, পলাশ মল্লিক, কাজী মনিরুজ্জামান ইসলাম মুন্না ও জাকির হোসেন মুন্নাকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে। তবে এ কমিটির মেয়াদ মাত্র ৩ মাস। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, আবু সাঈদ, শাহিনুর রহমান রানা, জাকারিয়া মাসুদ মিন্টু, সজল ঘোষ, শ্রী অমিত দেবনাথ, মোখলেছুর রহমান সেন্টু, শেখ সবুজ হোসেন, শাহিনুর রহমান শাহিন, ইব্রাহিম খান বাপ্পি, জাহিদুর রহমান রুবেল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সোহাগ কবির পলাশ, রেজাউল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, আলমগীর হোসেন আলম, মাহবুবুর রহমান, খন্দকার জিসান, এমএ সালাম, আব্দুল কুদ্দুস, মোস্তাক হাসান, তানজিন হাসান, নাজমুল হোসেন, ইমরান হোসেন, তরিকুল ইসলাম ও তুহিনুর রহমান সুইট।
ঝিকরগাছা, বাঘারপাড়া ও মহেশপুরে ৪ জনের আত্মহত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর ও ঝিনাইদহের তিন উপজেলায় আলাদা ঘটনায় ৪ জন গলায় ফাঁস ও বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। তারা হলো, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার জগনান্দকাটি গ্রামের প্রসাদ সরকারে স্ত্রী অনিমা দাস (২২), শিমুলিয়া গ্রামের ইবাদুল ইসলামের স্ত্রী কলি বেগম (২৩), বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা মির্জাপুরের শমসের বিশ্বাসের ছেলে আলমগীর ওরফে আলম (৪৬) ও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার চাপাতলা গ্রামের মৃত জিন্নাত আলীর ছেলে সবুজ হোসেন (২৮)। এদের মধ্যে ৩ জনের লাশের ময়নাতদন্ত গতকাল মঙ্গলবার যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে এলাকার এক যুবক অনিমা দাশকে চুমা দেয়। বিষয়টি জেনে যায়। এক প্রকার তারা অনিমা দাশকে ধিক্কার জানাতে শুরু করে। এ ঘটনায় লোকলজ্জা এড়াতে সোমবার দুপুরে সে পরিবারের লোকজনের অজান্তে ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেয়। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় থানা পুলিশ অনিমার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে। একই দিন দুপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে কলি বেগম (২৩)। জানা গেছে, সাংসারিক বিষয় নিয়ে কলি বেগমের সাথে তার স্বামী ওই ইবাদুলের দর্ঘিদিন ধরে গোলযোগ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে গৃহবধূ আত্মহত্যা করে। এদিকে, সংসারে অভাব অনটনের কারণে মানসিক বিপর্যস্ত ভ্যান চালক আলমগীর ওরফে আলম ২ অক্টোবর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোবার গভীররাতে আলম মারা যায়। অপরদিকে, সোমবার সকালে মহেশপুরের চাপাতলা গ্রামের সবুজ তার মায়ের কাছে টাকা চায়। না দেয়ায় মায়ের উপর অভিমানে সে বিষপান করে। তাকে যশোর হাসপাতালে ভর্তির পর গতকাল সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে সবুজের মৃত্যু হয়।