যশোরে কিশোর ছুরিকাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোর শহরতলীর বিরামপুর ফকিরা মোড় এলাকায় এক কিশোর চায়ের দোকানিকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে জখমের পর নগদ টাকা কেড়ে নিয়েছে এক দুর্বৃত্ত। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতের নাম সুমন হোসেন (১৬)। সে ওই এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। তাকে গুরুতর আহতাবস্থায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, কিশোর সুমনের যশোর নিউমার্কেটের সড়ক ডিভাইডারের উপর একটি চায়ের দোকান রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দোকান বন্ধ করে রিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় সুমন বিরামপুর ফকিরা মোড়ের তবিবারের মুদি দোকানের কাছে পৌঁছালে বিরামপুর গাবতলার দুর্বৃত্ত রাব্বি তার উপর হামলা চালায়। ওই দুর্বৃত্ত সুমনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতের পর কাছে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুরে মোটরসাইকেল চুরি মামলায় আটক সুমনের স্বীকারোক্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি থেকে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে আটক সুমন ওরফে ইউসুফ বিশ্বাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এ মোটরসাইকেল চুরির সাথে আব্দুল্লাহ আল মামুন, শেফালি, আব্দুল্লাহসহ ছয়জন জড়িত বলে সে জবানবন্দিতে জানিয়েছে। মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪র্থ আদালতের বিচারক আমিরুল ইসলাম আসামির জবানবন্দি গ্রহণ শেষে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আসামি সুমন ওরফে ইউসুফ বিশ্বাস বাগেরহাটের চিতলমারির আব্দুল খালেকের ছেলে। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মার্চ খুলনার গল্লামারি থেকে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ বটিয়াঘাটার রশনীবাগ গ্রামের মোটরসাইকেল চালক সেলিমকে নিয়ে সাগরদাঁড়ির কবি মাইকেল মধুসূদনের বাড়িতে বেড়াতে আসে। দুপুরে ওই যাত্রীরা সেলিমকে জুস খাইয়ে মোটরসাইকেল ও মোবাইলফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সেলিমের পিতা রোস্তম আলী বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় মামলা করেন। পুলিশ মোবাইল ট্রাকিং করে খুলনা দৌলতপুরের ইমরানকে চুরি যাওয়া মোবাইলফোনসহ আটক করে। ইমরান জানায় পাবলার আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছ থেকে মোবাইলফোন কিনেছে। পুলিশ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আটক ও তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী সুমন ওরফে ইউসুফ বিশ্বাসকে আটক করে। এ মামলায় পুলিশ তাকে দুই দিনের রিমাণ্ড শেষে গতকাল আদালতে সোপর্দ করে। আদালতে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় সে। ঘটনার দিন পরিকল্পিতভাবে আব্দুল্লাহ আল মামুন ও শেফালি তার মোটরসাইকেল নিয়ে কেশবপুরে আসে। তাদের অনুসরণ করে অপর সহযোগী আব্দুল্লাহ। জুসের মধ্যে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন, শেফালি ও আব্দুল্লাহ মোটরসাইকেল ও মোবাইলফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার সাথে খুলনার আরও দুই যুবক জড়িত বলে সে জানিয়েছে।