শেষ তুলির আঁচড়ে ব্যস্ত ভাস্কর

নিজস্ব প্রতিবেদক:বৃহস্পতিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা উঠছে শারদীয় দুর্গোৎসবের। যশোরে এখন চলছে পূজা উদযাপনের শেষ মুহূর্তের প্র্রস্তুতি। শেষ তুলির আঁচড়ে প্রতিমার অঙ্গসজ্জায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভাস্কররা।
যশোর জেলায় এবছর ৬১৭টি মণ্ডপে বাজবে দুর্গা পূজার ঢাক। তবে, গত বছরের চেয়ে এবার ১১টি ম-প কমেছে।
এদিকে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন।
যশোর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাস রতন জানান, এ বছর যশোর জেলায় ৬১৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্র্রস্তুতি চলছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬২৮।
জেলার ৮টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সদর উপজেলায় ১৩১টি ও সবচেয়ে কম শার্শা উপজেলায় ৩০টি মণ্ডপ স্থাপিত হয়েছে। এছাড়া ঝিকরগাছায় ৪৮টি, মণিরামপুরে ৮৪টি, কেশবপুরে ৮০টি, বাঘারপাড়ায় ৮২, অভয়নগরে ১শ’ ১৭, চৌগাছায় ৪৫টি মণ্ডপে পূজার প্র্রস্তুতি চলছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনে মণ্ডপগুলো থাকবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা। আনসার সদস্য ও সাদা পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি টহল পুলিশও মোতায়েন থাকবে।
একইসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ সব উপজেলা পর্যায়ে একটি কন্ট্রোলরুম খোলা থাকবে। এছাড়াও মণ্ডপগুলোতে বিদ্যুৎ সরবারহ নিশ্চিত, শহরের যানজট নিরসন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করা হবে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাস রতন আরও জানিয়েছে,  দেশের দু’টি একটি স্থানে মণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটলেও যশোরে সে পরিবেশ নেই। এখানে দৃঢ় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কারণে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশেই পূজা উদযাপিত হয়।
সেইসঙ্গে প্রশাসনও নির্বিঘœ পরিবেশে পূজা আয়োজনে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ফলে প্রতিবছরের মতো এবারও এখানে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে পূজা উদযাপিত হবে বলে আশা করছে পূজা উদযাপন পরিষদ।