পাট ব্যবসায়ীদের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল

স্পন্দন ডেস্ক: পাট ব্যবসায়ীদের জন্য ১০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেছেন, পাট খাতের উন্নয়নে, বিশেষ করে কৃষক পর্যায়ে পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ তহবিল চালু করা হচ্ছে।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এস কে সুর চৌধুরী এ তহবিল চালুর উদ্দেশ্য তুলে ধরেন।
এ তহবিল গঠন এবং পরিচালনার জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এস কে সুর চৌধুরী এই কমিটির প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস এম মনিরুজ্জামান কমিটির সদস্য সচিব।

সুর চৌধুরী বলেন, “অর্থমন্ত্রণালয় এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় পাট ব্যবসায়ীদের জন্য ২০০ কোটি টাকার এই পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠনের সুপারিশ করেছিল। সেই প্রেক্ষিতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ১০০ কোটি টাকার একটি তহবিল চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

লাইসেন্সধারী কাঁচা পাট ব্যবসায়ী, আড়ৎদার ও পাট মিল মালিকরা এই তহবিল থেকে ঋণ পাবেন বলে জানান তিনি।
৫ হাজার সহকারী গ্রন্থাগারিক
পাচ্ছেন এমপিও
শর্ত সাপেক্ষে এমপিও পাচ্ছেন স্বীকৃতিবিহীন প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রন্থাগারবিজ্ঞানে ডিপ্লোমাধারী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ হাজার সহকারী গ্রন্থাগারিক।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমেক এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী গ্রন্থাগারিকদের মধ্যে যাদের গ্রন্থাগারবিজ্ঞান বিষয়ে ডিপ্লোমার সনদ আছে, তবে প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদিত নয়, তাদের শর্তসাপেক্ষে এমপিওভুক্ত করা হবে।
এদেরকে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি অর্জনে তিন বছরের সময় দেয়া হবে জানিয়ে ফাহিমা বলেন, এই সময়েরে মধ্যে ডিগ্রি নিতে ব্যর্থ হলে তাদের এমপিও বাতিল করা হবে।

“স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে সনদ অর্জনের আগ পর্যন্ত সহকারী গ্রন্থাগারিকদের একধাপ নিচের স্কেলে বেতন দেয়া হবে। ভুয়া সনদধারীদের কোনোভাবেই এমপিওভুক্ত করা হবে না।”

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কয়েক দফা বৈঠকের পর শর্ত সাপেক্ষে এমপিও দেয়ার এই সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান ফাহিমা।

এ সংক্রান্ত রেজুলেশনের কপি মাউশিতে আসার পরেও সহকারী গ্রন্থাগারিকদের এমপিও দেয়ার বিষয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

এমপিও দাবিতে সহকারী গ্রন্থাগারিকরা গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি কর্তৃপক্ষ এনিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে।

অ্যাটর্নি জেনারেলকেও একটি বৈঠকে রাখা হয়। কয়েক দফা বৈঠকের পরে সরকারের শেষ সময়ে এসে সহকারী গ্রন্থাগারিকদের শর্ত সাপেক্ষে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।