যশোরে পেঁয়াজের দাম আরেক দফা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরের বাজারে শাক-সবজি, চাল, ডাল, তেলের দাম অপরিবর্তিত আছে। আরেক দফা দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। বর্তমানে পেয়াজের দাম কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে দেশি ১০০ টাকা ও ভারতীয় ৯০ টাকা। শুক্রবার শহরের বড়বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বাজারে শাক সবজির কমতি নেই। তারপরও শাক-সবজি দাম বেশি। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয় ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতিকেজি শিম বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মূলা। প্রতিকেজি বাঁধা কপি বিক্রি হয় ৩২ টাকা থেকে ৩৪ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতিকেজি কলা বিক্রি হয় ২০ থেকে ২৪ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পটল। প্রতিকেজি ঢেঁড়স বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতিকেজি পেঁপে বিক্রি হয় ১০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ওল। বাজারে আবারও দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০ টাকা থেকে ১০৫ টাকা। ৯০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ। এর আগে ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি পেঁয়াজ, প্রতিকেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত রসুন। দেশি আদা ১২০ টাকা কেজি ও আমদানীকৃত ১৪০ টাকা। প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয় ১৪ টাকা। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মরিচ। বাজারে অপরিবর্তিত আছে তেলের দাম। প্রতিকেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১১২ টাকা। ৮০ টাকা থেকে ৮২ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতিকেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭২ টাকা থেকে ৭৫ টাকা। বাজারে দাম বেড়েছে ইলিশ মাছের। প্রতিকেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৬শ’ টাকা থেকে ৭শ’ টাকা। ৩শ’ ৮০ টাকা থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ। জাটকা বিক্রি হয় ৩২০ টাকা কেজি। প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা। ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতিকেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। বাজারে প্রতিকেজি হিরা চাল বিক্রি হয় ২৯ টাকা ৩০ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩১ টাকা কেজি বিক্রি হয় রতœা চাল। প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হয় ৩৩ টাকা থেকে ৩৬ টাকা। ৩৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাজললতা চাল। প্রতিকেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৩৬ টাকা থেকে ৪২ টাকা।