জমে উঠেছে যশোর উপশহরে কোরবানীর গরু ছাগলের হাট

মিরাজুল কবীর টিটো:যশোর উপশহরে কোরবানির গরু ছাগলের হাট জমে উঠেছে। গতকাল হাটে ৫০টি গরু ও ৭০টি ছাগল বিক্রি হয়েছে। হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের সুবিধার্থে জাল টাকা পরীক্ষার মেশিন ও টাকা লেনদেনের জন্য বিকাশের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে হাট কর্তৃপক্ষ জানান কোরবানির গরু ছাগল বেচা কেনার জন্য উপশহর পার্কের ভেতর ও সামনের রাস্তায় হাট বসানো হয়েছে। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে গত সোমবার থেকে এ হাট শুরু হয়েছে। ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত চলবে হাট। গতকাল শুক্রবার হাটে দুটি বড় এড়ে গরু আনেন উপশহর এ-ব্লকের আমিরুল ইসলাম। গরু দুটির দাম হাঁকা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ক্রেতারা গরু দুটির দাম বলেছেন ২ লাখ টাকা। ক্রেতা বিক্রেতার দামে বনাবনি না হওয়ায় গরু দুটি বিক্রি হয়নি। এ হাটে নেপালিয়ান জাতের বড় ছাগল আনেন শহরের আশ্রম রোডের আবুল হোসেন। যার দাম হাঁকা হয় ৫০ হাজার টাকা। ক্রেতা ছাগলের দাম বলেছেন ৩০ হাজার টাকা। শেষ পর্যন্ত ছাগলটি বিক্রি হয়নি। এদিন হাটে ৫০টি গরু বিক্রি হয়েছে। সব চেয়ে দামি গরু কিনেছেন আরবপুরের আবুল হোসেন। তিনি ৭৫ হাজার টাকা দামের এড়ে গরু কিনেছেন। ছাগলও বিক্রি হয়েছে ৭০টি। ২২ হাজার টাকা দামের ছাগল কিনেছেন শহরের কাজী পাড়া এলাকার শহিদুল। হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে হাট মালিক এহসানুর রহমান লিটু জানান। তিনি বলেন, ক্রেতা বিক্রেতাদের সুবিধার্থে লাইটিং ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেচাকেনায় জাল টাকা নিয়ে যাতে প্রতারণার শিকার না হয় সে জন্য টাকা পরীক্ষায় মেশিন ও টাকা লেনদেনের জন্য বিকাশ চালু করা হয়েছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য ১শ’ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। হাটে বেচাকেনার সুবিধার্থে গরু ছাগল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটে খাজনা কম নেয়া হচ্ছে। যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের আমজাদ হোসেন নামে এক বিক্রেতা জানান উপশহর গরু ছাগলের হাটের পরিবেশ অন্য হাটের চেয়ে ভাল। বেচাকেনা করা যাবে শান্তিতে। তবে এবার হাটে গরুর দাম নেই।