মধ্য প্রদেশে অর্চনা দিতে এসে নিহত ৬০

ভারতের মধ্য প্রদেশের একটি মন্দিরে হুড়োহুড়ি করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে অন্তত ৬০ জন নিহত ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছে কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ জানিয়েছে, রোববার সকালে মন্দিরের কাছে সিন্ধু নদীর ওপরের সেতু অতিক্রম করার সময় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দেশটির সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রোববার সকালে ডাতিয়া জেলার রতনগড় মন্দিরে কয়েক হাজার লোক সমাগম হলে পুলিশ ধীরস্থিরভাবে অর্চনা করার আহ্বান জানায়। কিন্তু অর্চনা দিতে লোকজন হুড়োহুড়ি শুরু করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতেই এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রশাসন দাবি করেছে, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু গুজব ছড়িয়ে পড়লে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পাইলিনে হতাহত
শূন্য!
আঘাত হানার পর উড়িষ্যা অতিক্রম করে ঘণ্টা ২০ কিলোমিটারের কম গতিতে ভারতের উত্তরদক্ষিণাঞ্চলে এগুছে পাইলিন। শনিবার রাতে পাইলিনের আঘাতে উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশে কেউ মারা যায়নি বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার গতিতে পাইলিনের আঘাতের পর তিনজন মারা গেছে বলে ভারতের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। কিন্তু তাদের এ দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে উড়িষ্যা সরকার ও ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)।
উড়িষ্যা সরকার ও আইএমডির বক্তব্য, পাইলিন আঘাত হানার পর কেউ মারা যায়নি। যে আটজন মারা গেছে তারা পাইলিনের আগে ঝড়ে গাছ পড়ে মারা গেছেন।
আইএমডির প্রধান এলএস রাঠোর বলেছেন, ‘সম্ভবত হতাহতের সংখ্যা শূন্য।’
পাইলিনের কারণে ওড়িষ্যার উপকূলীয় জেলা গঞ্জমের গোপালপুরে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য অংশেও ব্যাপক-বৃষ্টিপাত ও ঝড় হয়েছে।
ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টি কারণে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভারতীয় মিডিয়াগুলো আইলিনকে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হবে বলে আশঙ্কা করেছিল। ১৯৯৯ সালে ঘূর্ণিঝড়ের চেয়েও একে ভয়াবহ ভেবেছিলেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞেরা। ১৯৯৯ সালের ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার জন নিহত হয়।
১৯৯৯ সালের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হতাহতের সংখ্যা শূন্যতে রাখতে পেরেছে ভারত সরকার। ঝড় আঘাত হানার দুদিন আগ থেকেই নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় উড়িষ্যা ও অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলবাসীদের।