সীমান্তে চামড়া পাচার ঠেকাতে পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সীমান্ত অভিমুখে চামড়ার বোঝাই সকল যানবহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এছাড়াও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম যশোরের রাজারহাট চামড়ার বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় ১০দিনের জন্য বসানো হচ্ছে পুলিশ ক্যাম্প।

যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) রেশমা শারমিন বলেন, চামড়ার ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে সীমান্ত পথে ভারতে পাচারের আশঙ্কা তুলে ধরেন। প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে পাচার ঠেকাতে সীমান্ত অভিমুখে চামড়া বোঝাই সকল প্রকার যানবহন চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। তবে সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর, কুষ্টিয়া, নাটোর ও ঢাকার দিকে চামড়া পরিবহন করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, পাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় রাজারহাটে ১৬ অক্টোবর ঈদের দিন থেকে পরবর্তী ১০দিনের জন্য পুলিশ ক্যাম্প বসছে।

বিজিবি দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রবিউল ইবনে কামরুল স্পন্দনকে জানান, ঈদুল আযহা’র পর সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোরবানির পশুর চামড়া পাচারের প্রবণতা থাকে। এ কারণে স্থানীয় বিজিবিকে সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন  মুকুল স্পন্দনকে জানান, ঈদ পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে ব্যবসায়ীরা চিন্তিত রয়েছেন। যদি কোনো অরাজকতার সৃষ্টি হয় তবে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়বেন তারা।

এ সময় চামড়া নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে সীমান্ত পথে তা ভারতে পাচার হয়ে যেতে পারে। এ বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসনকে পাচার প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।