কাঁচামরিচ ২০০ টাকা!

স্পন্দন ডেস্ক: পবিত্র ঈদ-উল আজহার আগ মুহূর্তে প্রায় অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। নগরীর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ, ভোজ্যতেল, রসুন, আদার দাম বাড়তি।
এ ছাড়া দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

মঙ্গলবার নগরীর শ্যামবাজার, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউনহল, মিরপুর ১ নম্বর কাঁচাবাজার, পলাশী কাঁচাবাজার ও নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

মিরপুর ১ নম্বর কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা আব্দুল বারেক প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। এ ছাড়া প্রতিকেজি ধনিয়া পাতা বিক্রি করছেন ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

এ প্রসঙ্গে বারেক বাংলানিউজকে বলেন, ‘কারওয়ান বাজার থেকে প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) কাঁচামরিচ ৭০০ টাকা দরে কেনা পড়েছে। তাই, খুচরা বাজারে আমরা ২০০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি করছি।’

তিনি বলেন, ‘পাইকারি বাজারের বিক্রেতারা বলছেন, গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির কারণে দাম বেড়েছে। এছাড়া বৃষ্টিতে মরিচের গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। সে কারণে বাজারে মরিচের সরবরাহ কম।’

এর সঙ্গে বেড়েছে সবজির দামও। প্রতিকেজি শসা ১০০, গাঁজর ৭০, টমেটো ১০০, মূলা ৪০, বরবটি ৬০, বেগুন ৫০ থেকে ৬০, শিম ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়াও বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে মোহাম্মদপুর টাউনহল মার্কেটে। প্রতিকেজি খাসির মাংস ৪৫০ ও ব্রয়লার মুরগি ১৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে সেমাই ও চিনির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিকেজি চিনি ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ২০০ গ্রাম ওজনের বনফুল লাচ্চা সেমাই ৩৫ এবং একই ওজনের প্রাণ চিকন সেমাই ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

স্থিতিশীল আছে চালের দামও। মহানগরীর বাজার ভেদে জিরা নাজিরে কেজি প্রতি ২ টাকা বেড়ে ৫৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইলে ১ টাকা বেড়ে ৫৫, বিআর-২৯ চালে দেড় টাকা বেড়ে ৪২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আঠাশ চালে ১ টাকা বেড়ে ৪২, মোটা চালে ১ টাকা বেড়ে ৩৫ এবং স্বর্ণা চালে ১ টাকা বেড়ে ৩৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, কাঁচাবাজারে মাছের সরবরাহ না থাকায় বেড়েছে সব ধরনের মাছের দাম। মোহাম্মদপুর টাউনহল মার্কেটে প্রতিকেজি তেলাপিয়া ২৫০, পাঙ্গাস ১৮০, বড় কাতলা ৫৫০, বড় রুই ৪৫০, বাইন মাছ ৭৫০ থেকে ৮০০, সরপুঁটি ৪০০, বাইলা ৫৫০, রূপচাঁদা ১ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ৮৭ টাকা লিটার দরে বিক্রি হয়েছিল সুপার তেল। সপ্তাহের ব্যবধানে লিটারপ্রতি ১৩ টাকা বেড়ে এখন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলে ২ টাকা বেড়ে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

প্রতি লিটার ১২০ এবং পাঁচ লিটার কোম্পানি ভেদে ৫৭৫ থেকে ৫৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বেড়েছে আদা ও রসুনের দামও। কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে চায়না আদা ৭০ ও দেশি রসুন ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজ। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ১০০ ও ভারতীয় নাসিক মোটা পেঁয়াজ ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম