কাবুলে ফের তালেবান হামলা, নিহত ২

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিদেশি একটি গাড়িবহরের ওপর গুলিবর্ষণ ও আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়েছে আফগান তালেবান। এই হামলায় দুজন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে কাবুলের গ্রিন ভিলেজের কাছে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে হামলাটি শুরু হয়। বিস্ফোরণের শব্দে আফগান রাজধানী প্রকম্পিত হয়। জুলাইয়ের পর থেকে এটিই কাবুলে চালানো তালেবানের প্রথম বড় ধরনের হামলা। কয়েক সপ্তাহ আগে এক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র বাহিনী পাকিস্তান তালেবানের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার লতিফ মেহসুদকে আটক করার পর এ হামলা চালানো হল। মেহসুদের আটকের ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে তালেবান। আফগান সরকারও এ আটকের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কাবুলের দক্ষিণের যে এলাকা থেকে মেহসুদকে আটক করেছে মার্কিন বাহিনী, সেই লোগার প্রদেশের গভর্নরকে গত সপ্তাহে খুন করেছে তালেবান। গভর্নর আরসালা জামাল আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
শুক্রবারের হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে আফগান তালেবান। ট্যুইটারে তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, “দখলদারী বিদেশি বাহিনীর একটি গাড়ি বহর এবং গুরুত্বপূর্ণ গ্রিন ভিলেজে হামলাটি চালানো হয়েছে।”
‘ড্রোন হামলায় একদশকে ৪শ’ সাধারণ মানুষ নিহত’
পাকিস্তানে একদশকে চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) হামলায় প্রায় আড়াইহাজার মানুষ মারা গেছেন। আর এদের মধ্যে অন্ততপক্ষে চারশ’ জন ছিলেন বেসামরিক মানুষ। এছাড়া আরো দুইশ’ জন ‘সম্ভবত যোদ্ধা ছিলেন না’। জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্ত কর্মকর্তা বেন এমেরসন শুক্রবার এ কথা বলেন। চলতি বছরের মার্চে পাকিস্তান সফর করেন তিনি। এমেরসন জানান, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে জানিয়েছে, দেশটির আদিবাসী পার্বত্য অঞ্চলে অন্ততপক্ষে ৩৩০ দফা ড্রোন হামলার তথ্য তাদের কাছে আছে।
পাকিস্তানে চালানো হামলাগুলোর বেশিরভাগই যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য দ্বারা পরিচালিত। কিছু ব্যবহার করেছে ইসরায়েল।
শুক্রবার প্রকাশিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের অন্তর্র্বতীকালীন প্রতিবেদনে এমেরসন বলেন, পাকিস্তান সরকারের কাছে সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী ২০০৪ সালের পর ড্রোন হামলায় অন্ততপক্ষে ২২০০ জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন অন্ততপক্ষে ছয়শ’ জন।