কেশবপুরে স্ত্রী ও কন্যার নামে সম্পত্তি লিখে দেয়ায় চাচার লাশ দাফনে ভাইপোদের বাধা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:কেশবপুরে স্ত্রী ও কন্যার নামে সম্পত্তি লিখে দেয়ায় ভাইপোরা চাচার লাশ দাফনে বাধা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে ২০ঘন্টা পর ওই বৃদ্ধের লাশ দাফন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের মৃত পাঁচু গাজির ছেলে মুন্সি জামাল উদ্দিন (১০১) শনিবার বিকেলে নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারনে মৃত্যুবরণ করেন। সন্ধ্যার দিকে তার লাশ দাফনের জন্য আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী প্রস্তুতি গ্রহন করে। এ সময় তার ভাইপো মৃত আব্বাস গাজীর ছেলে আব্দুর রহিম, আব্দুর রশিদ, সাইদ উদ্দিন, ইমদাদুল, ইলিয়াস, আব্দুল হাই, মৃত তালেব গাজীর ছেলে আবুল বাসার, আশরাফ উদ্দিন, হাফিজুর রহমান, আব্দুর রউফ মরদেহ দাফনে বাধা দেয়। এমনকি তারা লাশ দাফনে সম্পৃক্ত এলাকাবাসীকে মারপিট করতে উদ্যত হয়। এ ব্যাপারে বৃদ্ধের আত্মীয় স্বজনরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানায় অভিযোগ করেন। রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২০ঘন্টা পর বৃদ্ধের মরদেহের দাফন সম্পন্ন করেন।
এলাকাবাসী সাংবাদিকদের জানান, পুত্র সন্তানহীন মুন্সি জামাল উদ্দিন তার সম্পত্তি স্ত্রী ও চার কন্যার নামে ২০০১ সালে তাঁর সব জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। ফলে ভাইপোরা চাচার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভাইপোরা চাচার লাশ দাফনে বাধা সৃষ্টি করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মনজুর আলম সাংবাদিকদের জানান, লাশ দাফন নিয়ে মৃতের ভাইপোরা যে কাণ্ড ঘটিয়েছে তা খুব দুঃখজনক।

কেশবপুরে ডাকাত সন্দেহে
একজন গ্রেফতার
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর থানা পুলিশ শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ডাকাত সন্দেহে উপজেলার রাজনগর বাঁকাবর্শি গ্রামের আনিস ঢালি (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আনিচ ঢালি একজন চিহ্নিত ডাকাত। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলো। রোববার সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।