খুলনার ভৈরব নদ থেকে গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

খুলনা ব্যুরো:খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরের সিএসডি খাদ্য গুদাম সংলগ্ন ভৈরব নদ থেকে সোমবার দুপুরে ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি। লাশটির বুকে গুলিসহ শরীরে অসংখ্য ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। তাছাড়া তার মুখে তামার তার প্যাঁচানো এবং মাঝায় চাল ভর্তি দু’টি বস্তা বাঁধা ছিল। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই লাশের ময়না তদন্তের জন্য নেয়া হয়।
দৌলতপুর থানার ওসি আকতার হোসেন জানান, দৌলতপুরের মালিকতলা সিএসডি গোডাউনের ১নম্বর ঘাট সংলগ্ন ভৈরব নদে অজ্ঞাত পুরুষের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেয়। দুপুরে গলিত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। গুলি করে ও বিভিন্নভাবে আঘাত করে তাকে হত্যার পর বালি ভর্তি বস্তায় বেঁধে ভৈরব নদে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। ময়না তদন্তের আলামত সংগ্রহের পর খালিশপুরস্থ আঞ্জুমান কবরস্থানে লাশটি দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি আকতার হোসেন।

কেসিসির বিশেষ
সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা ব্যুরো
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২য় বিশেষ সভা সোমবার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনিসুর রহমান বিশ্বাসের সভাপতিত্বে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কেসিসির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুলতান মাহামুদ পিন্টুর ওপর দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা গুলিবর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং হামলাকারীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়রদের প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা ফিরিয়ে দেয়া ও  কাউন্সিলরদের ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট-এর মর্যাদা প্রবর্তনের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়।
সভায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গুলিবিদ্ধ কাউন্সিলর সুলতান মাহামুদ পিন্টুর নামে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কবির হোসেন কবু মোল্যার নামে মামলা প্রত্যাহার ও নিশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। দাবি মানা না হলে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।