গদখালী ফুল সমিতির সভাপতি আ. রহিম পেলেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঝিকরগাছা:যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ফুলচাষী ও ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি এবং বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম কে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
গতকাল সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারের এই স্বর্ণ পদক ও সনদপত্র প্রদান করেন।
ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী এলাকাবাসীর প্রাণপ্রিয় সংগঠন গদখালী ফুলচাষী ও ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি পদে ১৯৯৬ সাল থেকে আব্দুর রহিম দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ফুলের নায্যমূল্য প্রাপ্তিতে এবং আধুনিক ফুল চাষের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রেথে চলেছে।   তিনি উপজেলার পানিসারা গ্রামের মৃত সুলতান আহম্মদ ও বিবি জানের  পুত্র  ।

ঝিকরগাছা সামাজিক পরিষদের
উদ্যোগে বৃক্ষরোপন ও
চলচ্চিত্র প্রদর্শন
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঝিকরগাছা
যশোরের ঝিকরগাছা সামাজিক পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভা, পুথিপাঠ, সংগীত, আবৃত্তি, বৃক্ষরোপন, স্থিরচিত্র ও চলচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত  হয়েছে।
গতকাল সকালে উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজমুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাহিত্যিক হোসেনউদ্দিন হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আবিদ হাসান, পল্লী উন্নয়ন অফিসার সরদার আব্দুস সবুর, পরিসংখ্যান অফিসার পারভেস হাসান, সাবেক আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা অনিল চক্রবর্তী, শিক্ষিকা লিপিকা রানী কীত্তনিয়া প্রমূখ। অনুষ্ঠান পরিচলনা করেন সংগঠনের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল সাঈদ। অনুষ্ঠানে জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বৃক্ষ প্রেমিক মোকাররম হোসেনকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

দাম কম হওয়ায় ঝিকরগাছার আলু
মজুদকারীদের মাথায় হাত
এম আর মাসুদ ,ঝিকরগাছা
দাম কম হওয়ায় যশোরের ঝিকরগাছায় আলু মজুদকারীদের মাথায় হাত উঠেছে। প্রতি ট্রাক অর্থাৎ ২শ’ মণ আলুতে গচ্চা গুনতে হচ্ছে ৫০/৫৫ হাজার টাকা। অন্যবারের তুলোনায় চলতি বছর এসময় আলূর দাম অনেক কম। ফলে আলু  মজুদকারীরা বেকায়দায় পড়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের আলু মজুদকারীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, মৌসুমের শুরুতে  আলুর পাইকারি বাজার দর যা ছিল বর্তমানে তুলোনা মুলক তার চেয়ে কম হওয়ায় গচ্চা গোনার ভয়ে অধিকাংশ মজুদকারীরা স্টোর থেকে আলু উঠাচ্ছে না। মজুদকারীদের হিসেব অনুযায়ী এক ট্রাক অর্থাৎ ২শ’ মণ মজুদ করতে আলু ক্রয়, প্যাকেজিং,পরিবহনসহ মোট খরচ পড়েছে ৮৫/৯০ হাজার টাকা স্টোর ভাড়া বাদে। সাধারণত আলু পাইকারি ব্যাপারীরা স্টোর ভাড়া দিয়ে থাকেন। ফলে স্টোর ভাড়া বাদে মজুদকারীরা লাভ লোকসানের হিসেব কষে থাকেন। এদিকে বাজারে আলুর দর না থাকায় পাইকারীরাও আলু ক্রয়ের আগ্রহ নেই। অপরদিকে স্টোর খালি করার জন্য কর্তৃপক্ষ মজুদকারীদের তাগিদ দিচ্ছে।
এ বিষয়ে কথা হয় উপজেলার বল্লা গ্রামের আলু মজুদকারী দেলোয়ার হোসেনের সাথে । তিনি দৈনিক স্পন্দনকে জানান, মৌসুমের শুরুতে চড়া মূল্যে আলু ক্রয় করে তা প্যাকেজিং, পরিবহনসহ সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজার টাকা প্রতি ট্রাকে খরচ পড়েছিল। কিন্তু বর্তমান বাজারে আলুর দাম না থাকায় প্রতি ট্রাক আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০/৩৫ হাজার টাকা। ফলে প্রতি ট্রাক আলুতে মজুদকারীদের গচ্চা গুনতে হচ্ছে ৫০/৫৫ হাজার টাকা করে।
দেলোয়ার হোসেন ১০ ট্রাক আলু মজুদ করেছিলেন। যার মধ্যে ৫ ট্রাক লোকসানে বিক্রি করেছেন। বাকী ৫ ট্রাক বিক্রি করতে হিমশিম  খাচ্ছেন।
কথা হয় আলু চাষী ও মজুদকারী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের জাকির হোসেন পিকুলের সাথে। তিনিও শুনান হতাশার কথা। তিনি এবছর আলু মজুদ করেছিলেন ২০/২২ ট্রাক । গচ্চা দিয়ে বেশ কয়েক ট্রাক বিক্রি করলেও বাকী আলু নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। তার দাবি একারণে আগামীতে আলুর চাষ কমে যাবে এবং মজুদকারীরা মজুদদারীতে আগ্রহ হারাবে।
চলতি মৌসুমে উপজেলার প্রায় ২শ’ জন আলু মজুদ করেছিল। যাদের সকলেই এখন আলু নিয়ে বিপাকে। অনেকের দাবি বড় আকারে গচ্চা গুণার সত্ত্বেও পাইকারী বাজারে আলুর চাহিদা নেই।