পোশাক শিল্প নিরাপত্তায় সহায়তা দেবে নেদারল্যান্ড-ইউকে

স্পন্দন ডেস্ক: বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের নিরাপত্তার লক্ষে নেদারল্যান্ড ও ইউনাইটেড কিংডম (ইউকে) বাংলাদেশকে ৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে।
শ্রম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, নেদারল্যান্ড ও ইউকে-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি প্রকল্প চুক্তি সই হতে যাচ্ছে ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার।
এ ছাড়াও কারখানা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্তদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)
এদিকে, এ চুক্তি সই হওয়ার পর আইএলও-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের নিরাত্তার বিভিন্ন ইস্যুতে অর্থায়ন করা হবে। এ জন্য আইএলও-এর পক্ষ থেকে থাকবে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থাও। তবে এই মনিটরিং ব্যবস্থা কী হবে, তা এখনো বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়নি।
এসব বিষয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে চুক্তি সই হওয়ার পরই।
এদিকে, চুক্তি সইয়ের আগে এ সব বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে নারাজ আইএলও-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আইএলও সূত্রে জানা যায়, নেদারল্যান্ড ও ইউকে-র অর্থায়নের এ প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকবে আইএলও। আইএলও-এর পক্ষ থেকে গার্মেন্টস কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হবে নানা উদ্যোগ।
এ সব উদ্যোগের মধ্যে থাকবে গার্মেন্টস পরিদর্শন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনের অগ্নিকাণ্ডে আহত যেসব শ্রমিক পোশাক শিল্পে আর কাজ করতে পারবেন না বা কাজ করতে চান না, তাদের অন্য কোনো কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রভৃতি।
এ চুক্তির অন্তর্ভুক্তি অনুযায়ী আইএলও সরাসরি গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করবে না বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জানা যায়, আইএলও পরিদর্শন কার্যক্রমের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেবে। তাছাড়াও প্রশিক্ষণে আরো যা যা প্রয়োজন হবে, সে সব প্রয়োজনীয় ইন্সট্রুমেন্টও সরবরাহ করা হবে এ চুক্তির আওতায়।
রানা প্লাজা ও তাজরীনের অগ্নিকাণ্ডে অনেক আহত শ্রমিক আছেন, যারা আর গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতে পারবেন না বা চান না; এসব শ্রমিকদের আইএলও থেকে অন্যান্য কাজের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে করে তারা তাদের সুবিধা অনুযায়ী অন্য কোনো পেশা বেছে নিতে পারেন।
এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে আর্থিক সুবিধাদিও দেওয়া হবে আইএলও-এর পক্ষ থেকে।
তাছাড়া  পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্টদের কারখানার নিরাপত্তা ইস্যুতে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাহায্য-সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
আইএলও ঢাকা অফিস থেকে জানা যায়, ২২ অক্টোবর সোমবার হোটেল রূপসী বাংলা’য় আইএলও ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে চুক্তি সই হবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডের অ্যাম্বাসেডরসহ আইএলও ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত থাকবে বলে জানা যায় আইএলও সূত্রে।
তারেকের অর্থপাচার মামলা
 বুধবার পর্যন্ত মুলতবি
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের অর্থপাচার (মানিলন্ডারিং) মামলা বুধবার পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেছেন আদালত।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল পৌনে ৫টা পর্যন্ত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে জেরা করেন মামুনের আইনজীবী জাহেদুল ইসলাম কোয়েল ও খায়রুল ইসলাম লিটন।
জেরা শেষে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন বাকি জেরা ও আসামিকে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা মোতাবেক পরীক্ষার জন্য আগামি বুধবার দিন ধার্য করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট এ মামলায় তারেক ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্মাণ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এই টাকা লেনদেন হয়।

এরপর মামুন ওই অর্থ সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রিটের সিটি ব্যাংক এনএতে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। এ টাকার থেকে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। ২০১১ সালের ৬ জুলাই দুদক আদালতে মামলাটিতে চার্জশিট দাখিল করেন।
খালেদার প্রস্তাবে সরকারের
জবাব আজ
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন তার জবাব মঙ্গলবার তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হবে।
সোমবার রাজধানীতে বাংলাদেশ বেতারের দেশব্যাপী এফএম সম্প্রচার নেটওয়ার্ক প্রবর্তন কার্যক্রমে ১০ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ১২টি এফএম ট্রান্সমিটার উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং মহজোট সরকারের শরিক দলের নেতারাও খালেদা জিয়ার বক্তব্য শুনেছেন। আগামীকাল তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক জবাব দেওয়া হবে।