যশোরাঞ্চলের আদম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ১৮৩ মামলার নিষ্পত্তি ৯০

মিরাজুল কবীর টিটো:যশোরসহ তিন জেলার আদম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে করা ১৮৩ মামলার মধ্যে ৯টি নিষ্পত্তি হয়েছে। এখনো ৯৩টি মামলা বিচারাধীন। যশোর জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিদেশে যাওয়ার জন্য আদম ব্যবসায়ীদের কাছে টাকা দিয়ে প্রতারিতরা এসব মামলা করেন। সূত্র জানায়, খুলনা বিভাগের যশোর, ঝিনাইদহ ও নড়াইল জেলার প্রতারিতরা স্ব স্ব জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আদম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগ তদন্তের পর যশোর জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে পাঠানো হয়। এরপর জনশক্তি অফিস খুলনা শ্রম আদালতে ১৯৮২ সালের ২৩/বি ধারায় ১৮৩টি মামলা দায়ের করে। দায়েরকৃত মামলার মধ্যে চলমান রয়েছে ৯৩টি। ইতোমধ্যে ৯০টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। সূত্রটি জানায়, যশোর জেলায় এ ধরণের মামলার সংখ্যা ১৭২টি। এর মধ্যে সদরে ১২টি, মণিরামপুরে ৯৬টি, কেশবপুরে ২৯টি, ঝিকরগাছায় ২৩টি, অভয়নগরে ২টি, বাঘারপাড়ায় ৪টি, শার্শায় ২টি, চৌগাছায় ৪টি মামলা রয়েছে। ঝিনাইদহ জেলার ১০টির মধ্যে সদরে ৪টি, শৈলকুপায় ৩টি, কালীগঞ্জে ২টি ও মহেশপুরে ১টি ও নড়াইল সদরে ১টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার মধ্যে চলমান রয়েছে ৯৩টি মামলা। আর নিষ্পত্তি হয়েছে ৯০টি। নিষ্পত্তিকৃত মামলার মধ্যে যশোর সদরে ৬টি, মণিরামপুরে ৪৭টি, কেশবপুরে ১৬টি, ঝিকরগাছায় ১৪টি, বাঘারপাড়ায় ১টি, শার্শায় ১টি, চৌগাছায় ২টি, ঝিনাইদহ জেলা সদরে ২টি, মহেশপুরে ১টি মামলা। চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত হিসেবে এ তথ্য জানা গেছে। জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারি পরিচালক রাহেনুর ইসলাম বলেন, যারা বিদেশ যাওয়ার জন্য আদমব্যাপারীর কাছে টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয় তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। জেলা প্রশাসক অফিস থেকে তদন্ত করে সঠিক উত্তর না পেয়ে জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসে পত্র পাঠায়। তখন এ অফিস থেকে খুলনা শ্রম আদালতে ১৯৮২ সালের ২৩/বি ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়।