বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর কালা চাঁদ হত্যা মামলায় ৩ সহদোরসহ ৪ জনের ফাঁসি

বাগেরহাট প্রতিনিধি :বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর কৃষক সুশান্ত ওরফে কালা চাঁদ মল্লিক হত্যাকাণ্ডের দায়ে ৩ সহদোরসহ ৪ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম সোলায়মান জনার্কীর্ন আদালত এ রায় প্রদান করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো, বাগেরহাট সদর উপজেলার খাড়াসম্ভল গ্রামের কালিপদ মন্ডলের ছেলে দিলিপ মন্ডল, বিপিন মল্লিকের ৩ ছেলে সুশেন মল্লিক, দিপংকর মল্লিক ও সুভাষ মল্লিক। আদালত এসময় এ মামলার  অপর ২ আসামি তপন মল্লিক ও অশোক মন্ডলকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার খাড়া সম্বল গ্রামের সুধীর মল্লিকের ছেলে সুশান্ত ওরফে কালা চাঁদ মল্লিক ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্র“য়ারি বাড়ি থেকে ভোরে মাছের ঘেরে যাওয়ার পথে আসামিরা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাকে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর পার্শ্ববর্তী সেকের ফকিরের কাটা খালে ফেলে রাখে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় নিহতের বোন শোভা মল্লিক বাদি হয়ে ৪ জনকে আসামি করে বাগেরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মফিজুল ইসলাম দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০০৪ সালের ২ আগস্ট দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এ মামলার রাষ্ট্র পক্ষের কৌসুলী পিপি মোহাম্মদ আলী জানান, এই রায়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বাদী পক্ষ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বাগেরহাটে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার
বাড়িতে ডাকাতি
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিদ্যুৎ কান্তি পাল দম্পতিকে বেঁধে রেখে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ৫/৬ জনের মুখোশ পরিহিত একদল  ডাকাত বুধবার গভীর রাতে শহরতলীর দশানী এলাকায় ওই ডাক্তারের নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলার বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে এবং ডাকাতির ঘটনা ঘটায়।
ডাঃ বিদ্যুৎ কান্তি পাল জানান, রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তারা স্বামী স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর  মুখোশ পরা ৫/৬ জন লোক ঘরে প্রবেশ করলে তারা জেগে ওঠেন। এ সময়  ওই ডাকাতরা তাকে ও তার স্ত্রীকে বেঁধে ফেলে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৬০ হাজার টাকা, ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।
এ খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফএম এহতেশামুল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, ষাটগম্ভুজ ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চুসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা -কর্মচারী ওই বাড়িতে যান এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের প্রতি সহানুভুতি জানায়।
বাগেরহাট মডেল থানার ওসি এরশাদুল কবীর চৌধুরী’র জানান, ডাকাতির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মালামাল উদ্ধার ও ডাকাতদের আটকের চেষ্টা চলছে।