অনুশীলনে নিউজিল্যান্ড দল

ক্রীড়া প্রতিবেদক:বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড মধ্যকার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শেষ হলো ০-০ ব্যবধানে। বৃষ্টির কারণে ড্র মেনে নিতে হয়েছে দু’দলকে। টেস্ট সিরিজ শেষে এবার লক্ষ্য ওয়ানডে সিরিজের দিকে। টেস্টের অপ্রাপ্তিটা ওয়ানডেতে পূরণ হবে এমনটি আশা করেন জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
আর কিউই দলপতি মনে করেন ঘরের মাঠে বাংলাদেশ অনেক ভালো দল। তাই ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে শনিবার সকাল থেকে গুড়িগুড়ি বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে অনুশীলন করেছে নিউজিল্যান্ড দল। টেস্টের কোন ক্লান্তির ছাপ ছিল না কিউই শিবিরে। ওয়ানডেতে ভালো করার লক্ষ্যে বিসিবি-সাহারা জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি মাঠে কিউইরা নিজেদের একটু বেশি ঝালিয়ে নিচ্ছে। আবহাওয়া ভালো না হওয়ায় অনুশীলনে নামছেন না মুশফিকরা।
আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ওয়ানডে হবে ৩১ অক্টোবর। দিবা-রাত্রির এই ম্যাচ দুটি শুরু হবে দুপুর দেড়টায়। ফতুল্লাহর খান ওসমান আলী স্টেডিয়ামে তৃতীয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।
একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি হবে ৬ নভেম্বর মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
শচীনের বিদায়ী ম্যাচের
টসে বিশেষ মুদ্রা!
ওয়াংখেড়েতে ১৪ নভেম্বর শচীন টেন্ডুলকারের ২০০তম ও বিদায়ী টেস্ট ম্যাচ। ম্যাচটি শচীনময় করে রাখতে কোনো কমতিই রাখছে না মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এমসিএ)। মাঠের লড়াই শুরুর আগে কোন দল ব্যাট, আর কোন দল ফিল্ডিং করবে সেই সিদ্ধান্তে যেতে টসও হবে টাকশাল থেকে বানানো বিশেষ মুদ্রায়।
লিটল মাস্টারের বিদায়ক্ষণ উদযাপনের অংশ হিসেবে থাকবে টসের এই মুদ্রা। ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) ক্রীড়া উন্নয়ন মহাব্যবস্থাপক অধ্যাপক রতœাকর শেঠী জানালেন এমন কথাই।
মিড ডে’কে তিনি বললেন,‘মুদ্রার এক পিঠে থাকবে টেন্ডুলকারের পোট্রিট ছবি, অন্য পাশে থাকবে একটি লোগো। সেটা বিসিসিআই কিংবা এমসিএ’র লোগো হতে পারে।’
ম্যাচ শুরুর আগেই টেন্ডুলকারকে অভিনন্দন জানাবেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট এন শ্রীনিবাসন। অবশ্য ম্যাচ শেষে আরও বড় আয়োজনের ব্যবস্থা রেখেছে বোর্ড। শেঠী বললেন,‘টেস্ট ম্যাচের দিকেই আমাদের মনোযোগ। রাহুল দ্রাবিড়কে যেভাবে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল, টেন্ডুলকারের বেলাতেও সেভাবেই হবে।’

বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল
কটক ওয়ানডেও

আউটফিল্ড ভেজা থাকার কারণে কটকে নির্ধারিত ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম ওয়ানডেও ভেস্তে গেল। শনিবার সকালে মাঠ পরিদর্শন শেষে ম্যাচ রেফারি রোশান মহানামা এই সিদ্ধান্ত জানায়।
সকালটা রৌদ্রোজ্জল থাকলেও সপ্তাহ ধরে বৃষ্টিতে খেলার সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যায়। অবশ্য শুক্রবারইন উড়িষা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,‘মাঠ পুরোপুরিই হালকা জলাবদ্ধ ও শুকানোর সম্ভাবনা খুবই কঠিন হবে।’
হেলিকপ্টার দিয়ে মাঠ শুকানোর চেষ্টাও করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি।
এর আগে রাঁচিতে চতুর্থ ওয়ানডে ম্যাচও বৃষ্টিতে প- হয়ে যায়। ওই ম্যাচে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে ২৯৫ রান সংগ্রহ করে। কিন্তু ভারত ৪.১ ওভার বল খেলার পর বৃষ্টি বাধায় পরিত্যক্ত হয়।
সাত ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন পাঁচ ম্যাচের হয়ে গেল। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে আছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। ৩০ অক্টোবর নাগপুরে হবে ষষ্ঠ ওয়ানডে। ব্যাঙ্গালুরুতে শেষটি হবে ২ নভেম্বর।