বেনাপোল স্থলবন্দর শেড ইনচার্জসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আলাদা তিনটি চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক :যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাসের মামলায় শেড ইনচার্জসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আলাদা তিনটি চার্জশিট দিয়েছে পোর্ট থানা পুলিশ। অভিযুক্ত আসামিরা হলো, বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩ নম্বর শেড ইনচার্জ, গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার গিমাডাঙ্গা গ্রামের মোস্তাইন বিল্লার ছেলে জাবেদ বিল্লাহ, বরিশাল বানারীপাড়ার গাভাগ্রামের মোবারক আলী হাওলাদারের ছেলে সহকারী শেড ইনচার্জ শাহীন হাওলাদার মিন্টু, যশোরের বেনাপোলের বালুণ্ডা গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে ১নং গেটের গার্ড সালাম গাজী, বাঘারপাড়ার তেঘরি গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে ট্রাকচালক সোহাগ আল মামুন ও মহসিন আলীর ছেলে ট্রাকের হেলপার আবু সুফিয়ান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৭ জুলাই গোপন সংবাদে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানতে পারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে শেড থেকে পণ্য বের করা হচ্ছে। দুপুরে ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ছোটআঁচড়া মোড় থেকে (যশোর ট-১১-২১৩৫) পণ্য বোঝাই একটি ট্রাক চালক-হেলপারসহ আটক করে। ট্রাক থেকে ৫ হাজার ৯শ’ ৫১ সেট উন্নতমানের ভারতীয় থ্রিপিস ও ৪শ’ মিনি টর্চলাইট উদ্ধার  করা হয়। যার দাম ৩১ লাখ ৬ হাজার ২৬ টাকা। এ ব্যাপারে ২৪ জুলাই কাস্টমস এর রাজস্ব কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে মামলা করেন। মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ঘোষণা বহির্ভূতভাবে কোন প্রতিষ্ঠান অন্যান্য পণ্যের সাথে এ পণ্য ভারত থেকে আমদানি করে ৩নং শেডে রাখে। পরবর্তীতে শেড কর্মকর্তার সহায়তায় প্রতারণার মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় এ পণ্য নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতারণা, শুল্ক ফাঁকি ও চোরাচালানের অভিযোগ এনে ওই পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আলাদা তিনটি চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই এসএম আজিজুর রহমান। চার্জশিটে অভিযুক্ত সালাম গাজীকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা ফুটবলে যশোরের জয়
ক্রীড়া প্রতিবেদক
চুয়াডাঙ্গা জেলা স্টেডিয়ামে গতকাল থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা ফুটবল প্রতিযোগিতা। গ্রুপ পর্যায়ের প্রথম খেলায় জয় পেয়েছে যশোর জেলা দল। তারা ১-০ গোলে পরাজিত করেছে নড়াইল জেলা অনূর্ধ্ব-১৫ ক্রিকেট দলকে। খেলার প্রথমার্ধে কোন দল গোল  করতে না পারায় ০-০তে শেষ হয় খেলা। পরবর্তীতে শেষ বাঁশি বাজার ৩ মিনিট আগে যশোরের সাজেদা একটি গোল করেন।
এদিকে, যশোর জেলা দলের বিরুদ্ধে জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও অনূর্ধ্ব-১৫ থেকে বেশি বয়সের খেলোয়াড় খেলানোর অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছেন নড়াইল জেলা দলের কোচ কার্তিক দাস। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, খালেদা ও সবুরা বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা দলের খেলোয়াড়। তাছাড়া অন্যান্য খেলোয়াড়দের মধ্যে বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের বয়স ১৫’র বেশি। এ কারণে আমরা প্রটেস্ট করেছি।
হরতালের আশঙ্কায় আগামী ৩ দিন কোন খেলা হবে না। পরবর্তীতে খেলার সময়সূচি জানানো হবে বলে জানা যায়।