যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে দুর্নীতিবাজদের স্থান নেই

বিল্লাল হোসেন :যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক, সেবিকা ও কর্মচারীরা কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি ও দায়িত্ব কর্তব্যে অবহেলায় জড়িয়ে পড়লে এখানে তার স্থান নেই। রোগীদের দুর্ভোগ নিরসন ও শতভাগ সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবেন। ইতোমধ্যে বিষয়টি সকলকে অবগত করা হয়েছে। অতীতের সকল দুর্নামের যবনিকাপাত ঘটিয়ে সরকারি এ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে মডেল হাসপাতালে রূপান্তরিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ জন্য এখানে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার (ওটি), পোস্ট অপারেটিভ ফেয়ার ওয়ার্ড, হাসপাতালের নিজস্ব ওষুধ ফার্মেসি ও ক্যান্টিন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলে আলোচনাও হয়েছে। গতকাল শনিবার হাসপাতালের সদ্য যোগদানকারী ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. ইয়াকুব আলী মোল্লা নিজস্ব মিলনায়তন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আর্থিক স্বচ্ছতা ও সঠিকভাবে জবাবদিহিতার জন্য হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে, পেইন ওয়ার্ডে প্যাথলজি বিভাগে ও টিকিট কাউন্টারে কর্মচারীদের পাশাপাশি চিকিৎসককে দায়িত্ব দেয়া হবে। যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ, দালাল ও মাদকসেবীদের উৎপাতসহ নানা ধরনের সমস্যা নিরসনে ডা. ইয়াকুব আলী মোল্যা সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের সার্বিক চালচিত্র উপস্থান করেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ও যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন আহমেদ খান। উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (এডি) শ্যামল কৃষ্ণ সাহা, আরএমও ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু, ডা. আলমগীর কবির, গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. নিকুঞ্জ বিহারী গোলদার, ডা. রবিউল আলম, অর্থোপেটিক বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুর রউফ, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি মিজানুর রহমান তোতা, সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সাধারণ সম্পাদক আহসান কবীর বাবু, গ্রামের কাগজের সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন, লোকসমাজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনোয়ারুল কবির নান্টু, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজ্জাদ গণি খাঁন রিমনসহ ইলেক্ট্রোনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত যশোরের সাংবাদিকরা।