নতুন প্রস্তুতিতে যশোরের পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:গতকাল রোববার যশোরে পুলিশের উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অগণিত বোমার বিস্ফোরণ ঘটানোর পর নতুন করে প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা যাতে রাজপথে কোন সহিংস ঘটনা ঘটাতে না পারে সে জন্য পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিং দেয়া হয়েছে। কোতোয়ালি থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এমদাদুল হক শেখ বলেছেন, সোমবার থেকে বিরোধী দলের কোন নেতাকর্মীদের পিকেটিং করতে দেয়া হবে না। গত রোববার যশোরে হরতালের সময় যশোরের কুয়াদা এলাকায় পুলিশ সদস্যরা পিকেটারদের হামলার শিকার হন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের উপর হামলা হলে ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। এরা হলেন এসআই ওহিদুজ্জামান, এএসআই ইসরাফিল, এএসআই মোস্তফা, কনস্টেবল জয়নাল, আতিয়ার রহমান, সাইদুর রহমান, শাহীন, আলী হোসেন ও রবিউল ইসলাম। এরপর পুলিশের একটি পিকআপ পুড়িয়ে দেয়া হয়। বেলা দেড়টার দিকে শহরের দড়াটানায় মহুর্মূহু বোমা ও গুলির শব্দে প্রকম্পিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা। পুলিশ মোকাবেলা করতে ৫ রাউন্ড টিয়ার সেল ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। জামায়াত-বিএনপির উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মীরা শহরের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। আওয়ামী লীগ নেতাদের টাঙানো প্লাকার্ড ভেঙে দেয়। এ রকম নৈরাজ্যকর ঘটনা পুলিশের সামনে ঘটেছে ফলে জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকবে না। গতকাল সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় হরতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের নতুন করে ব্রিফিং দেন ওসি এমদাদুল হক শেখ। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যশোরে আর কোন পিকেটিং হবে না। বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা রাস্তায় দাড়িয়ে আর কোন তাণ্ডব চালাতে পারবে না। সেভাবে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রোববার দড়াটানায় তাণ্ডবের ঘটনায় অন্তত ৫টি মামলা পুলিশ করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।