বেনাপোল বন্দরে শুল্ক ফাঁকির আরেকটি মামলার চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করে শুল্ক ফাঁকির আরেকটি মামলায় শেড ইনচার্জসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে সিআইডি পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনের অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে চার্জশিটে। অভিযুক্ত আসামিরা হলো, বেনাপোলের দীঘিরপাড় গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে, অনিকা ট্রেডার্স ও জবা ট্রান্সপোর্টের মালিক আসাদুজ্জামান আসাদ, কাস্টমস গোডাউনের ১৭ নম্বর শেডের তৎকালীন ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম, ওয়্যার হাউজ সুপার কামাল হোসেন ও মেসার্স বাগদাদ ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার, কাগজপুকুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৯ মে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোডাউনের ২ নম্বর গেটের সামনে থেকে একটি পণ্য বোঝাই কাভার্ড ভ্যান আটক করে। উদ্ধার করা হয় ৪৬৮৮ সেট থ্রি পিচ, ৮৮৬ টি শাড়ি, ১১১৬ কেজি শার্টের কাপড়, ৮৫৭ কেজি ইমিটেশন জুয়েলারি, ৬৩ জোড়া জুতা, ১৭৫ জোড়া সেন্ডেল, ২০ কেজি বেল্ট, ২৯ পিচ মানিব্যাগ, ৩৮৯ টি গেঞ্জি ও ৮০ কেজি পুতির মালা। এ ব্যাপারে গঠিত তদন্ত টিমের রিপোর্ট পাওয়ার পর ৭ জুলাই দুইজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন রাজস্ব কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম। এ মামলার তদন্ত শেষে শুল্ক ফাঁকি, চোরাচালান ও প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট দিয়েছেন সিআইডির এসআই সানজিদ আহম্মেদ। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাগদাদ ট্রান্সপোর্টের মালিক নিজামুদ্দৌলার অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে চার্জশিটে। চার্জশিটভুক্ত সকল আসামি পলাতক রয়েছে।