অনলাইন টেন্ডারে আরো ৮ সরকারি প্রতিষ্ঠান

স্পন্দন ডেস্ক:লাইনে দাঁড়িয়ে ক্যাডার বাহিনী সঙ্গে করে আর টেন্ডার জমা দিতে হবে না। এখন অনলাইনে টেন্ডার দাখিলের সুবিধা প্রবর্তনের ফলে দরপত্র ছিনতাই বা প্রভাব বিস্তারের কোনো সুযোগ থাকছে না। এখন অনলাইনের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে টেন্ডার জমা দেওয়া যাবে।
এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে অনলাইনে সরকারি ক্রয়পত্রে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরো ৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠান। নতুন আটটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), ঢাকা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, আইসিটি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক, গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, পরিসংখ্যান তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়।
সরকারি আটটি প্রতিষ্ঠানকে অনলাইন দরপত্রে যুক্ত করার বিষয়ে রোববার নগরীর শেরে-ই বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্টের (ই-জিপি) সফল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নীতি-নির্ধারণী কমিটির একান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রী একে খন্দকারের সভাপতিত্বে এ সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মহাপরিচালক পবন চৌধুরি ছাড়াও ই-জিপি এর সফল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নীতি-নির্ধারণী কমিটির সদস্যরা।
এ সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় যে, নতুন করে অনলাইন ক্রয়পত্রে নতুন আটটি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হবে। এখন থেকে জাতীয় ই-জিপি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ৭টি মন্ত্রণালয়ের মোট ২৯টি সরকারি দপ্তরে ই-জিপি পোর্টালের (িি.িবঢ়ৎড়পঁৎব.মড়া.নফ) এ ঠিকানার মাধ্যমে ই-টেন্ডারিং কাযর্ক্রম পরিচালিত হবে।
বিডিআর হত্যা মামলার
 রায় ৫ নভেম্বর
পিলখানায় বিডিআর হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন আগামী ৫ নভেম্বর পুননির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারিত থাকলেও তা পিছিয়ে আগামী ৫ নভেম্বর রায় দেওয়া হবে বলে জানান ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান।
এদিকে, বুধবার সকালে আসামিপক্ষ এ মামলাটি রায়ের পর্যায় থেকে উত্তোলন করে ফের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) পর্যায়ে আনার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। আগামী ৫ নভেম্বর এ আবেদনের শুনানিরও দিন নির্ধারণ করেন আদালত।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামীম সরদার বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ অক্টোবর বিচারিক প্রক্রিয়ার শেষ ধাপ যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন ৩০ অক্টোবর। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দফতর পিলখানা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ইতিহাসের ঘৃণ্যতম নৃশংস এ হত্যাকা-ের ৪ বছর ৮ মাস পর হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে ৫ নভেম্বর।