দুই বোতল মদে দু’বছরের দণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক:দুই বোতল ভারতীয় মদ রাখার দায়ে আব্দুল কাশেম নামেএক মাদক ব্যবসায়ীকে দুই বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে যশোরের একটি আদালত। কাশেম শার্শা উপজেলার সাদীপুর গ্রামের সাক্কার আলীর ছেলে। বুধবার এক রায়ে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মফিজুর রহমান এ সাজা দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালের ৭ এপ্রিল ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আব্দুল কাশেমের বাড়িতে অভিযান চালায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সদস্যরা। তার রান্না ঘর তল্লাশি করে দুই বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বেনাপোল সার্কেলের পরিদর্শক শরিয়তুল্লাহ বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামিকে দুই বছর কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত আব্দুর কাশেম জেলহাজতে আটক রয়েছে।
যশোরে জমি নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে জখম
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার লেবুতলায় জমি নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। গতকাল বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতের নাম আহসান হাবীব রাজু (৪৫)। তিনি লেবুতলা গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তাকে মারাত্মক জখম অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, লেবুতলা গ্রামের প্রভাবশালী মশিয়ার দীর্ঘদিন ধরে আহসান হাবীব রাজুর জমি ভোগ দখল করছেন জোর পূর্বক। এ ঘটনা নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে আহসান হাবীব রাজু ওই জমি ছেড়ে দিতে বললে উভয়ের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এরই জের ধরে ক্ষিপ্ত মশিয়ার ও তার ছেলে সুমন সশস্ত্র হামলা চালিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।
যশোরে দুই সংঘর্ষের মামলায় ৩ জনের সাজা
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে আলাদা দুই মারামারি মামলায় তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে একটি আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ দুই মামলায় ১৫ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, ঝিকরগাছার শ্রীরামপুর গ্রামের আবু বক্কার সিদ্দিকীর দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন ও ইসরাইল হোসেন, বাঘারপাড়ার, ধুপখালি গ্রামের শুকুর শিকদারের ছেলে কোহিনুর শিকদার। বুধবার আলাদা রায়ে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মফিজুর রহমান এ সাজা দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ঝিকরগাছার শ্রীরামপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল আসামিদের। ২০০৪ সালের ২৪ অক্টোবর সকালে হাবিবুর রহমান জানতে পারেন আসামিরা তার জমিতে লাঙ্গল দিয়ে চাষ দিচ্ছে। এ সময় হাবিবুর রহমানসহ বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা হাবিবুর রহমান মামলা করলে তদন্ত শেষে নয় জনকে অভিযুক্ত করে ্আদালতে চার্জশিট দেয় ঝিকরগাছা থানা পুলিশ। এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি ইসমাইল হোসেনকে ৩২৫ ও ৩০৭ ধারায় দুই বছর করে কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাস করে কারাদণ্ড ও আসামি ইসরাইলের বিরুদ্ধে ৩২৪ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এক বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক আসামি আব্দুল গণি, আব্দুল কুদ্দুস, ইমামুল হোসেন, ফারুক হোসনে, রবিউল ইসলাম, ইকবাল হোসেন ও আব্দুল জলিলকে খালাস দিয়েছেন। অপর দিকে, বাঘারপাড়া আজ মেহেরপুর গ্রামের যুবক রুহুল আমিনকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ২০০৬ সালের ১৫ নভেম্বর মারপিট করে জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ব্যাপারে রুহুল আমিনের পিতা আশিকুল্লাহ মামলা করলে নয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় বাঘারপাড়া থানা পুলিশ। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি কোহিনুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় দুই বছর করে কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর আসামি, আতিয়ার রহমান, ইলিয়াস হোসেন,মারুফ হোসেন, জুলফিকার আলী,শাহ আলম, কবির সোলাইমান ও গোলাম রসুলকে খালাস দিয়েছেন বিচারক। সাজাপ্র্তা আসামিদের মধ্যে কোহিনুর শিকদার পলাতক রয়েছে।
যশোরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ গতকাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। তিনি বলেন, বুধবার যশোরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পথ সভা করার কথা ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা শেখ নজরুল ইসলাম সেটা নিহত হওয়ার কারণে দিন পরিবর্তন করা হয়েছে। জেলা বিএনপির পথসভা আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় দড়াটানা ভৈরব চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরো বলেন, যশোরে পুলিশ প্রশাসন সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করে না। এ কারণে আইন শৃঙ্কলার চরম অবনতি হয়েছে। তাই হরতালে শহরে অকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। আরো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটছে। মানুষের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা টুকু থাকছে না। তাই সন্ত্রাসীদের দ্রুত আটক করে বিচারের আওতায় আনা উচিত। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেল বিএনপির সহ-সভাপতি রফিকুর রহমান তোতন, অ্যাড. আবু ইসহাক, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, প্রচার সম্পাদক হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককাজী আযম, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম কামাল প্রমুখ।