২৯৭ কোটি টাকা পাওনা দিলো জাতিসংঘ

স্পন্দন ডেস্ক:বাংলাদেশের পাওনা অর্থের ২৯৭ কোটি টাকা (৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার) পরিশোধ করেছে জাতিসংঘ। আন্তর্জাতিক সংস্থাটির কাছে বাংলাদেশ সরকারের আরও ১ কোটি ডলার পাওনা রয়েছে। মঙ্গলবার এই পাওনা অর্থ পরিশোধ করে জাতিসংঘ।
বাংলানিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আবদুল মোমেন। তিনি জানান জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিভাগ তার কাছে পাওনা এই অর্থ পরিশোধ করলো।
সংস্থাটির কাছে ৪ কোটি ৯৭ লাখ ডলার পাওনা ছিলো বাংলাদেশের। তার মধ্যে ৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাওয়া গেছে। বাকি রয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ ডলার, জানান ড. মোমেন।
তবে এই পাওনা পরিশোধের বিষয়টি একটি চলমান ইস্যু বলে জানান এই ক’টনীতিক। তিনি বলেন,  ইউএন-ডিপিকেও বাংলাদেশ থেকে যেসব সেবা কার্যক্রম এবং অস্ত্র-সরঞ্জমাদি নেয় তার বিনিময়েই ২০১৩ এর অক্টোবর পর্যন্ত ৪ কোটি ৯৭ লাখ ডলার পাওনা হয়।
যে অর্থ এখনো পাওনা রয়েছে সেগুলো নিয়ে বাংলাদেশ মিশন মোটেই উদ্বিগ্ন নয় জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, আমরা আশা করি সময় মতোই এই অর্থ আমরা হাতে পাবো।
জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ সংখ্যক সেনা সরবরাহকারী দেখ হলেও জাতিসংঘের কাছে পাওনা আদায়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে।
বর্তমানে জাতিসংঘের কাছে ভারত ৮০০ কোটি ডলার এবং ইথিওপিয়া ৫৪০ কোটি ডলার পায় বলে জানান ড. মোমেন।
মামুনের ৬ কোটি টাকার
ব্যাংক হিসাব জব্দ
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকের ২টি হিসাবে থাকা ৬ কোটির টাকা জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতে মামুনের বিরুদ্ধে চলমান অর্থপাচার মামলায় বিচারক মো. মোতাহার হোসেন এ আদেশ প্রদান করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল হক বেনু মামুনের লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকের ২টি হিসাবে থাকা ৬ কোটির টাকা জব্দ করার জন্য আদালতে আবেদন করেছিলেন।
আবেদনে বলা হয়, লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকের এলডুইচ দুইটি হিসাবে আসামি মামুনের ২ লাখ ৪ হাজার ৪৯৬ দশমিক ৬৯ পাউন্ড স্টারলিং (বাংলাদেশী মুদ্রায় ৬ কোটি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা) জমা আছে।
ওই টাকা আসামি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে এ মামলায় চার্জশিট দাখিল হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে আছে। ওই টাকা যেকোনো সময় আসামি হস্তুান্তর করতে পারেন। তাই ওই হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে আংশিক জেরা করেন আসামি মামুনের আইনজীবীরা। জেরা শেষ না হওয়ায় বিচারক অসমাপ্ত জেরার জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন।
আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।
২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এ মামলায় ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।