বাঁকড়ার চার ইউনিয়নে মুছা মাহমুদের গণজোয়ার : মোটরসাইকেল মার্কা বিজয়ী করতে ভোট প্রার্থনা তৃণমূল নেতাকর্মীদের

এম আলমগীর, বাঁকড়া (ঝিকরগাছা):ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মুছা মাহমুদের পক্ষে উপজেলার বাকড়ার চার ইউনিয়নে গণজোয়ার বইছে। মুছা মাহমুদের ঋণ পরিশোধ করতে রাত জেগে দ্বারে দ্বারে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছে বাঁকড়া অঞ্চলের নেতা কর্মীরা। যে কোন মূল্যে তাকে বিজয়ী করতে নির্ঘুম রাত দিন পার করছে সর্বস্তরের জনতা।
জানা যায়, ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া, হাজিরবাগ, নির্বাসখোলা ও শংকরপুর ইউনিয়ন নিয়ে বাঁকড়া অঞ্চল গঠিত। আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত এই অঞ্চলে গলিতে গলিতে, বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে পড়েছে মোটরসাইকেল মার্কার কর্মীরা। তাদের একটায় কথা ২৭ ফেব্র“য়ারীর ভোটে মুছা মাহমুদকে চেয়ারম্যান দেখতে চাই। তার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করছে গ্রামের কর্মীরা। এছাড়া কৃষক, শ্রমিক, দিরমজুর, চাকুরীজীবি, মুক্তিযোদ্ধা, জেলে, কামার, কুমোর, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ নেমে পড়েছে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি। প্রত্যেক পাড়ায় পাড়ায়, মোড়ে মোড়ে মুছা মাহমুদের মোটরসাইকেল মার্কার পোস্টারে ছেয়ে গেছে। চার ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুছা মাহমুদের কর্মীদের উদ্যাম ও পরিশ্রম। নির্বাসখোলা ইউনিয়নের নোয়ালী, বল্লা, কানাইরালী, সাদিপুর, নিশ্চিন্তপুর, দিঘড়ী, বাউশা, শিওরদাহ, আশিংড়ী, নন্দী ডুমুরিয়া, রাজার ডুমুরিয়া, নির্বাসখোলা, খরুষা, মির্জাপুর, বেড়ারুপানি, পারবেড়ারুপানি, হাজিরবাগ ইউনিয়নের রায়পটন, সোনাকুড়, হাজিরবাগ, বৃষ্টিপুর, মহেশপাড়া, মাটিকোমরা, বরুনাল, দেউলী, পাঁচপোতা, কোমরচাঁদা, ইস্তা, কুল্যা, যুগিহুদা, ধল্লা নপাড়া, বাঁকড়া ইউনিয়নের উজ্জলপুর, খোশালনগর, বালিয়াডাঙ্গা, দিগদানা, মাটশিয়া, ছোট খলসী, বড় খলসী, বাঁকড়া, মুকুন্দপুর, আলীপুর, শিমুলিয়া, শুকুরখোলা, নগর, দরগাডাঙ্গা, শংকরপুর ইউনিয়নের খাটবাড়িয়া, ছোট পোদাউলিয়া, বড় পোদাউলিয়া, হরিদ্রাপোতা, সেকেন্দারকাঠি, জগনন্দকাঠি, নায়ড়া, শংকরপুর, কুমরে, রাজবাড়িয়া, উলাকোল প্রভৃতি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে মুছা মাহমুদের মোটরসাইকেল প্রতীকের গণজোয়ার বইছে। নেতা কর্মীরা ঋণ পরিশোধ করার নেশার ঘুম হারাম করে রাত দিন ভোটারদের কাছে ছুটছে। হাজিরবাগ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা মাস্টার এনামুল কবীর, ডা. মোস্তফা আসাদুজ্জামান, বজলুর রহমান, চেয়ারম্যান ডা. আতাউর রহমান মিন্টু, আব্দুস সামাদ খাঁন, রেজাউল ইসলাম, আতিয়ার রহমান, আলাউদ্দীন, বাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান ইবাদ আলী, আকবর হোসেন জাপানী, আবুল কাশেম, মাস্টার হেলালউদ্দীন খাঁন, আব্দুল করিম, রবিউল ইসলাম, মাস্টার জিল্লুর রহমান, নির্বাসখোলা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ডা. জালালউদ্দীন, নজরুল ইসলাম, আলহাজ রুহুল আমিন, গোলাম রসুল, শহিদুল ইসলাম, বাবলুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, গাজী গোলাম মোস্তফা, কবীর হোসেন, মনিরুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আরমান আলী, শফিউদ্দীন, লিয়াকত আলী, আলমগীর হোসেন, শংকরপুর ইউনিয়নের অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, গোবিন্দ চ্যার্টাজি, মাস্টার আদম শফিউল্লাহ, ডা. রবিউল ইসলাম, মকবুল হোসেন, আমিরুল ইসলাম প্রমূখ নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে প্রত্যেক ইউনিয়নে ইউনিয়নে প্রতিদিন চলছে টিম ওয়ার্ক। নেতা কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করছে। তারা গ্রামে গ্রামে যেয়ে গ্রামের নেতা কর্মীদের বিভিন্ন বিষয়ে দিগনির্দেশনা দিচ্ছেন। কয়েকজন নেতা কর্মীর সাথে আলাপ করলে তারা জানান, মুছা মাহমুদের কাছে বাঁকড়া এলাকার মানুষ অনেক ঋণী। আমাদের ঋণ পরিশোধ করার সময় এসেছে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে তাকে বিজয়ী করে আমাদের সেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
কথা হয় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে। তারা জানান মুছা মাহমুদ মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপক শ্রদ্ধা করেন। বিভিন্ন উৎসবের সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্নভাবে সম্মানীত করেন। কয়েকজন শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান, গত সংসদ নির্বাচনে মুছা মাহমুদ বাঁকড়া এলাকার কৃতি সন্তান এ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনিরের জন্য যা করেছেন, তা কোন মায়ের পেটের ভাইও করেনা। তাই আমাদের কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ হিসাবে তাকে বিজয়ী করার জন্য সর্বাতœক চেষ্টা করে যাচ্ছি।
এদিকে চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী নির্বাচন করলেও বাঁকড়া অঞ্চলে মুছা মাহমুদ সবার থেকে এগিয়ে রয়েছে। উৎসব মূখর পরিবেশে কর্মীরা ছুটছে ভোটারের বাড়িতে। সন্ধ্যা হলে মোড়ে মোড়ে মোটরসাইকেল মার্কার নেতা কর্মীদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে ওঠে গ্রাম অঞ্চলের হাট বাজার, চায়ের দোকান এবং মোড়ে মোড়ে। রাত আটটার দিকে দল বেধে গ্রামের সর্বস্তরের ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে শুরু হয় ভোট প্রার্থনার পালা। এভাবে প্রতিদিন গ্রামের আবাল, বৃদ্ধ, বনিতাসহ সর্বস্তরের শ্রেণী পেশাজীবি সাধারন মানুষ মুছা মাহমুদের মোটরসাইকেল মার্কা বিজয়ী করতে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রার্থনার কাজ চলছে।