কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল

স্পন্দন ডেস্ক:ঋণ খেলাপি হওয়ায় টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
বুধবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর রিটার্নিং কর্মকর্তা অফিসার সৈয়দ মো. খুরশিদ আনোয়ার এই ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী কাদের সিদ্দিকী তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা কনস্ট্রাকশনের নামে অগ্রণী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর পার হলেও সে টাকা তিনি পরিশোধ করেননি।
“তাই নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।”
অবশ্য কাদের সিদ্দিকী তিন দিনের মধ্যে এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
একই অভিযোগে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) কাজী আশরাফ সিদ্দিকী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যক্ষ আবু সাঈদ মিঞার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
আবেদনপত্রে সই না থাকায় জাতীয় পার্টির (জেপি) সাদেক সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলেও তাকে সংশোধিত আবেদন দাখিলের জন্য দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগের শওকত মোমেন শাহজাহানের মৃত্যুতে  জাতীয় সংসদের এ আসনটি শূন্য হয়। এরপর ২৯ মার্চ ভোটের দিন রেখে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
শওকত মোমেন শাহজাহানের ছেলে অনুপম শাহজাহান এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী।
এছাড়া সখীপুরের বোয়ালী কলেজের অধ্যক্ষ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাঈদ আজাদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক জিএম আব্দুল মালেক ও নির্দলীয় ডা. লিয়াকত আলী এ নির্বাচনে অংশ নিগে মনোনয়রপত্র দাখিল করেছেন।
নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপি দশম সংসদ নির্বাচন বয়কট করলে সব দলের অংশগ্রহণ না হওয়ার কারণ দেখিয়ে কাদের সিদ্দিকীও ভোটের লড়াইয়ে আসেননি।
৫ জানুয়ারির বিরোধী দলবিহীন নির্বাচনের সমালোচনা করে তিনি বলেছিলেন, এতে শেখ হাসিনার ‘ছালা-মালা দুইই যাবে’।
আওয়ামী লীগের এক সময়ের নেতা কাদের সিদ্দিকী দুই দশক আগে আলাদা দল গঠন করেন। তার ভাই আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায়ও রয়েছেন তিনি।