যশোরে মুক্তার হত্যায় মামলা, আটক নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরের ঝিকরগাছার লাউজানির চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডার মামলার আসামি মুক্তার হোসেন হত্যার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। আসামি করা হয়েছে পাঁচ জনকে। এরা হলো সদর উপজেলার ডুমদিয়া গ্রামের রহিম বক্সের ছেলে মন্টু, হবিবর রহমানের ছেলে জয়নাল, মৃত মোক্তার আলীর ছেলে ইসমাইল, দেয়াড়া গ্রামের মৃত আজিজ দফাদারের ছেলে আজগর এবং মোশারফ হোসেনের ছেলে রুস্তম আলী। আর মামলাটি করেন নিহত মোক্তারের স্ত্রী বেগম। পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে মুক্তারের বাড়ি পাগলাদহ গ্রামে হলেও স্ত্রী সন্তান নিয়ে নতুনহাট এলাকার কাশেমের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি পেশায় ট্রাকের হেলপার ছিলেন। ২৪ ফেব্র“য়ারি রাত ৮টার দিকে তাকে মোবাইলফোনে কে বা কারা ডেকে নিয়ে যায়। ফোন পেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। পর দিন ২৫ ফেব্র“য়ারি সকালে পুলিশ মুক্তারের মৃত্যুর ঘটনা জানায়। তিনি হাসপাতালের মর্গে গিয়ে মুক্তারের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ২৪ ফেব্র“য়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুক্তার ডুমদিয়া গ্রামের সামাদের চায়ের দোকানের পাশে বসে ছিলেন। সে সময় সন্ত্রাসীরা তাকে মারার জন্য ছুটে গেলে দৌড় দেয়। সন্ত্রাসীরা তাকে পিছু ধাওয়া করে। এলাকার করিম বক্সের বাগানের কাছে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা ১০/১২টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। এদিকে, হত্যাকাণ্ড বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ বলেছেন, পুলিশ মুক্তার হত্যাকারীকে ইতিমধ্যে সনাক্ত করেছে। তাদের আটকের বিষয়ে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আসামিরা এলাকা ছাড়া। তাদের বর্তমান অবস্থান সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।