যশোর সিটি কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতিকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর সিটি কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি মারুফ হুসাইন ইকবালকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। ইকবালের ভাই এমএজেড মিঠু খন্দকার ২০ জনের নাম উল্লেখ করে গত মঙ্গলবার মামলাটি করেছেন। আসামিরা হলো, নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়া এলাকার বেবী শেখের ছেলে লিটন ওরফে কুকড়া লিটন, বকচর বিহারী কলোনী এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে ফারুক হোসেন, নীলগঞ্জ সুপারী বাগান এলাকার মৃত দুখু মিয়ার দু’ ছেলে কামরুল হাসান ওরফে মেজো ও নাহিদ, স্বপন ও তার ছেলে সুজন, মোল্লাপাড়া আমতলা এলাকার গুরুদাসের ছেলে অমিত, নাজির শংকরপুর সাদেক দারোগার মোড়ের নূর হোসেনের ছেলে সুমন, মুড়লী খাঁ পাড়ার মৃত নূর আলীর ছেলে রায়হান, মোল্লাপাড়া আমতলা এলাকার হারেজ ড্রাইভারের ছেলে মিঠু, মেজ খোকনের ছেলে বাদল, বকচর হুশতলা এলাকার শাহীন, মৃত মকছেদ আলীর ছেলৈ নয়ন, একই এলাকার মিলন, মোজাহারের ছেলে তরিকুল ইসলাম, বকচর বিহারী কলোনী এলাকার ওসমান আলীর ছেলে বেনজির, দিলরোজার ছেলে টিপু, একই এলাকার সোহেল ওরফে কটা সোহেল এবং নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর কাজীবাড়ি এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে জনি। আসামিদের এক জনকেও আটক করতে পারেনি পুলিশ। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা চিহ্নিত ছিনতাইকারী, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী। ইকবাল তাদের মাদক বিক্রিতে ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বাধা দেয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয় এবং ক্ষতি করার পরিকল্পনা করে। গত ২৪ ফেব্র“য়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ইকবালসহ ৩/৪ জন সিটি কলেজের সামনে থেকে নীলগঞ্জ সুপারী বাগানস্থ বাড়িতে ফিরছিলেন। সে সময় সন্ত্রাসীরা চারিদিক থেকে সিটি কলেজের সামনে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ইকবালের সাথে থাকা মিথুন, ইব্রাহীম, ভোলাকেও কুপিয়ে জখম করে। সংবাদ পেয়ে ছাত্র নেতা আরিফুল ইসলাম রিয়াদ, শ্রমিক নেতা মিজুসহ অন্যান্যরা এগিয়ে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে সন্ত্রাসীরা ৪/৫ টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে স্থান ত্যাগ করে। আহত ইকবালসহ ৭/৮ জনকে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে।