করুণদশা যশোর যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম

মিরাজুল কবীর টিটো:
পুকুর শুকনো, পর্যাপ্ত গরু নেই, জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে প্রশিক্ষণের মধ্যদিয়ে চলছে যশোর জেলা যুব উন্নয়নের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম। যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, সেখানে গবাদি পশু, হাঁস, মুরগির প্রশিক্ষণ চলছে। প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থী রয়েছে ৮০ জন। এ কার্যক্রম চালানোর জন্য ১টি অফিস ভবন, ১টি কোয়ার্টার, ১টি ছাত্রাবাস ও ১টি ছাত্রীনিবাস। সেই সাথে রয়েছে পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য ইউনিট। রোববার সরেজমিনে দেখা যায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পুকুর শুকিয়ে গেছে। এ কারণে বন্ধ রয়েছে মৎস্য প্রশিক্ষণ। বিঘœ ঘটছে গবাদি প্রশিক্ষণেরও। চারটির স্থলে গরু আছে দুইটি। এদিকে, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্রীনিবাস, ছাত্রাবাস ও কোয়ার্টার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের দেয়াল ফেটে গেছে। পলেস্তারা ভেঙে পড়েছে। এর মধ্যে ছাত্রীনিবাস পরিত্যক্ত ঘেঅষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ভবন সংকট থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে হাঁস-মুরগির প্রশিক্ষণ। ছাত্রীনিবাস পরিত্যক্ত হওয়ায় তাদেরকে বাড়ি থেকে এসে প্রশিক্ষণ নিতে হচ্ছে। আর ছেলেরা ঝুঁকিপূর্ণ হোস্টেলে থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। হোস্টেলে থাকা ছাত্রদের তিন বেলা খাওয়ার জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ২শ’ টাকা। সেই টাকায় খাওয়ানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর মুসাক আলী মোল্লা জানান, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ১৯৯৭ সালে নির্মাণ হওয়ার ১৮ বছরের মধ্যে কোনো সংস্কার করা হয়নি। তাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবন নির্মাণের জন্য মন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি। সেই সাথে ফান্ড না থাকায় পুকুর খনন ও গবাদি পশু কেনা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য বর্ষাকালে মৎস্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। গবাদি পশুর উপর প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের গ্রামে নিয়ে যেতে হয়।