মুসা বিন শমসেরের সম্পদ হিসাব দুদকে

স্পন্দন ডেস্ক: আলোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের দুর্নীতি দমন কমিশনে সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন।
রোববার দুপুরে তার পক্ষে আইনজীবী কমিশন কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন বলে জানিয়েছেন দুদক কমিশনার এম সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আইনজীবীর মাধ্যমে কমিশন সচিব বরাবর আজ তিনি (মুসা) সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছেন।”
তবে বিবরণীতে দেওয়া সম্পদের তথ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে সাহাবুদ্দিন বলেন, “এটা তো এখনই বলা যাবে নাৃ যে তথ্য-উপাত্ত তিনি দিয়েছেন- তা নিরীক্ষার করেই নিশ্চিত হওয়া যাবে আদৌ তার সম্পদের পরিমাণ কত।”
একটি আন্তর্জাতিক সাময়িকীর প্রতিবেদনকে ভিত্তি করে ৩ নভে¤॥^র দুদক মুসা বিন শমসেরের সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।
সুইস ব্যাংকে এই ব্যবসায়ীর সাত বিলিয়ন ডলার ‘আটকে’ আছে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রথমে আমাদের কাছে এ রকম তথ্য ছিল যে, সুইস ব্যাংকে তার সাত বিলিয়ন ডলার আটকে আছে। পরে তিনি আমাদের জানিয়েছেন, ওখানে তার আরো পাঁচ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ মোট ১২ বিলিয়ন ডলার আছে।
“কিন্তু আমরা যখন তার কাছে স্ইুস ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কাগজপত্র চাইলাম, তিনি তা দেননি। এ কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাঠিয়েছিল দুদক।”
১৯ মে মুসা বিন শমসেরকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাঠায় কমিশন। নোটিশে সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়।
তবে বিবরণী দাখিলের জন্য মুসা সময় চাইলে তা মঞ্জুর করে ৭ জুন নির্দিষ্ট করে কমিশন।
বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে ‘বাংলাদেশের প্রিন্স’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া মুসা বিন শমসের আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বেয়াই।
মুসার বড় ছেলে ববি হাজ্জাজ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিশেষ উপদেষ্টা ছিলেন।
ছিটমহলে উড়ছে
‘মুক্তির পতাকা’

বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুসমর্থনের দলিল বিনিময়ের পর ভারতীয় ছিটমহলগুলোতে উড়ছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।

রোববার দুপুরে দেবীগঞ্জ উপজেলার শালবাড়ি ছিটমহলের দিনবাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পঞ্চগড়ের সংসদ সদস্য (বোদা-দেবীগঞ্জ) নুরুল ইসলাম সুজন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিটমহলের অধিবাসী ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পতাকা উত্তোলনের সময় সমবেতভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।

এ সময় ওই ছিটমহলের অধিবাসীদের নিজের সংসদীয় (বোদা-দেবীগঞ্জ) এলাকার নাগরিক হিসেবে ঘোষণা দেন সাংসদ সুজন।

এর আগে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে মাথায় ছোট ছোট জাতীয় পতাকা বেঁধে ও বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন ছিটমহলবাসীরা।