পরীা ছাড়া ভর্তি নীতিমালা কেন কর্তৃত্ববহিভূর্ত নয়: হাই কোর্ট

স্পন্দন ডেস্ক:
পরীা ছাড়াই একাদশ শ্রেণিতে শিার্থী ভর্তিতে শিা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালার আটটি বিধি কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ববহিভূর্ত’ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চ সোমবার এই রুল জারি করে।
ইউনুছ আলী নিজেই তার আবেদনের পে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।
আদেশের পর ইউনুছ আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শিা সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছে আদালত।
বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে শিার্থী ভর্তির নিয়ম রেখে শিা মন্ত্রণালয় গত ১ জুন এই নীতিমালা প্রকাশ করে। এর ভিত্তিতে বাংলাদেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে ৬ জুন থেকে ভর্তি কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
ইউনুছ আলীর আবেদনে বলা হয়, ওই নীতিমালার আটটি ধারা সংবিধানের ৭, ২৬,২৭, ২৮, ৩১, ৪০, ১৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে ‘সাংঘর্ষিক’ এবং ২০১০ সালের জাতীয় শিা নীতিমালার অধ্যায় ৪ এর ‘পরিপন্থী’।
মোখলেসুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আদালত কেবল রুল জারি করেছেন, কোনো স্থগিতাদেশ দেননি। সুতরাং ওই নীতিমালা অনুযায়ী ভার্তি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে কোনো বাধা নেই।”
ইউনুছ আলী তার আবেদনে পরীা ছাড়াই ভর্তির নিয়মসহ নীতিমালার আটটি ধারার কার্যকারিতা স্থগিতের নির্দেশ চেয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দেয়নি।
নীতিমালার ২.১ ধারায় বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের আগে যারা এসএসসি পাস করেছে তাদের এবার কলেজে ভর্তি করা হবে না।
৩.১ ধারায় বলা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা পরীা হবে না। এসএসসির ফলের ভিত্তিতে ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে।
এলাকা ভিত্তিতে কলেজগুলোতে শিার্থী ভর্তির েেত্র কী অনুপাতে কোটা নির্ধারিত হবে, তা বলা হয়েছে ৩.২ ও ৩.৩ ধারায়।
৪.২ ধারায় বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদনের েেত্র আবেদনকারী টেলিটকের মাধ্যমে ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচটি কলেজে পছন্দক্রম দিতে পারবে।
আর অনলাইন আবেদন বা এসএমএস পাওয়ার পর কলেজগুলো এই নীতিমালা অনুযায়ী আসন সংখ্যার সমান সংখ্যক ভর্তিযোগ্য প্রার্থীর মেধাক্রম নিজেদের ওয়েব সাইট ও নোটিস বোর্ডে প্রকাশের ব্যবস্থা করবে বলে ৫.৩ ধারায় বলা হয়েছে।
৯.১ ধারায় বলা হয়েছে, এই নীতিমালা দেশের সব সরকারি বা বেসরকারি কলেজের েেত্র প্রযোজ্য হবে।
৯.৩ ধারায় মন্ত্রণালয় বলেছে, এই নীতিমালার কোনো ব্যত্যয় হলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও এমপিও বাতিল করা হবে এবং সরকারি কলেজের েেত্র বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
এই আটটি ধারা ‘সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ দাবি করে ইউনুছ তার আবেদনে বলেন, সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের সকল নাগরিক সমান সুযোগ পাবে। আর ২৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো নিয়ম করা যাবে না। ২৭ অনুচ্ছেদেও সকল নাগরিকের সমান অধিকারের কথা বলা আছে।
এছাড়া ২৮ অনুচ্ছেদে শিা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির েেত্র কোনো নাগরিককে ‘অমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীনে’ আনা যাবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ৪০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো নাগরিককে পেশা গ্রহণে বাধা দেওয়া যাবে না।
এরই মধ্যে ওই নীতিমালা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্ট থেকে স্থগিতাদেশ পেয়েছে ঢাকার নটরডেম, হলিক্রস ও সেন্ট জোসেফ কলেজ কর্তৃপ। চে¤॥^ার আদালতও ওই আদেশ বহাল রেখেছে।
হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ ওই তিন কলেজের েেত্র নীতিমালার কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছে। ফলে এসব কলেজে পরীার মাধ্যমে শিার্থী ভর্তিতে বাধা নেই বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।
জোড়া খুন: সাংসদ পিনু খানের গাড়ি জব্দ
বিডিনিউজ
রাজধানীতে গভীর রাতে গুলিবর্ষণে দুজন নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার বখতিয়ার আলম রনির মা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাংসদ পিনু খানের গাড়ি জব্দ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

প্রায় দুই মাস আগে ওই রাতে ‘নেশাগ্রস্ত’ অবস্থায় রনি কালো রঙের ওই প্রাডো গাড়ি থেকে গুলি চালিয়েছিলেন বলে পুলিশ বলছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক দীপক কুমার দাস সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলার তদন্তের স্বার্থে রোববার বিকালে সাংসদ পিনু খানের ন্যাম ভবনের বাসার গ্যারেজ থেকে গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।”

গত ১৩ এপ্রিল রাত ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে গুলিতে এক অটোরিকশা চালক এবং এক রিকশাচালক আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিহত রিকশাচালক আব্দুল হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম ঘটনার দুদিন পর থানায় যে মামলা করেছেন, তাতে বলা হয়, একটি সাদা মাইক্রোবাস থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হলে তার ছেলে ও অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী মারা যান।

পরে তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সাদা মাইক্রোবাস নয়, সেটি ছিল কালো রঙের একটি প্রাডো গাড়ি এবং ওই গাড়িতে পিনু খানের ছেলে রনিসহ কয়েকজন ছিলেন।

তদন্তে রনির সম্পৃক্ততা পাওয়ার পর গত ৩১ মে তাকে এবং তার গাড়িচালক ইমরান ফকিরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি গুলিবর্ষণের কথা স্বীকার করেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

ঘটনার দিন রনি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে গুলিবর্ষণ করেন বলে তার গাড়িচালক ইমরান আদালতে জবানবন্দিতে বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর নতুন প্রেসসচিব ইহসানুল করিম
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
প্রধানমন্ত্রীর নতুন প্রেস সচিব হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক ইহসানুল করিম, যিনি গত দুই বছর রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিবের দায়িত্বে ছিলেন।
অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগের শর্তে সোমবার ইহসানুলকে এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসাবে নিয়োগের আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
গত ২৫ মে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে ইহসানুলের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। নতুন দায়িত্বে তিনি এ কে এম শামীম চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম শামীম চৌধুরীকে গত বছরের ৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তবে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তুষ্টির কারণে তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে বেশ কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবরও প্রকাশিত হয়।
শামীম চৌধুরী বর্তমানে যুক্তরাজ্য সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেই রয়েছেন।
নতুন প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত হতে
রাষ্ট্রপতির পরামর্শ

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার ও ব্যবহারে সবাইকে অভ্যস্ত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
সোমবার রাজধানীতে বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, “নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে তথ্য প্রযুক্তি খাতে প্রতিনিয়ত উন্নত প্রযুক্তির আবির্ভাব ঘটছে।
“বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে আমাদেরও নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার ও ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে হবে।”

তথ্য প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সরকার সার্বিক পদপে নিয়ে বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আইসিটি এক্সপো-২০১৫ সর্বশেষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে উদ্যোক্তাদের জন্য অবারিত সুযোগের দ্বার উন্মোচন করবে।
আবদুল হামিদ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। শিা ব্যবস্থায় তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ছাড়াও প্রশাসন, ব্যাংকিং, চিকিৎসা সেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং গণযোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ এখন দণি এশিয়ার মধ্যে অন্যতম।
“তথ্যপ্রযুক্তি এখন জনগণের মতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম হাতিয়ার। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে গেছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে। এর ফলে নাগরিক জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বস্তি এসেছে।”
হার্ডওয়্যার পণ্য উৎপাদনকারী দেশ হওয়ার ল্যকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হল ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো-২০১৫’। মেলার প্রতিপাদ্য ‘মিট ডিজিটাল বাংলাদেশ’।
সরকারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি যৌথভাবে তিন দিনের এই প্রদর্শনী ও মেলার আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য দরকার মানব সম্পদ উন্নয়ন। আমাদের আছে অফুরন্ত তারুণ্যের শক্তি। আমরা এক লাখ তরুণকে দ প্রযুক্তিবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে ট্রেইনিং কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।”
বাংলাদেশের ১১৮টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসিটি বিভাগে বিশেষায়িত কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ঘোষণাও অনুষ্ঠানে দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। সারাবিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন পিছিয়ে পড়া দেশ নয়, বরং এগিয়ে থাকা দেশ।”
অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনের ওপর একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি এ এইচ এম মাহফুজুল আরিফ।
অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতিকে মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এর আগে অনুষ্ঠানে একটি বাংলাদেশের ইতিহাস, তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে একটি লেজার শো দেখানো হয়।
‘ফাউল যাতে না হয়, হিসাব করতে হয়’

রাষ্ট্রপতি হিসেবে কোনো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আগের মতো প্রাণ খুলে কথা বলতে না পারার আপে ফুটে উঠল মো. আবদুল হামিদের কথায়।
সোমবার রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো-২০১৫’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন নিজেই এই প্রসঙ্গের অবতারণা করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতে আবদুল হামিদ বলেন, “আমার একটি লিখিত বক্তব্য আছে। স্পিকার থাকার সময় স্বাধীন-ফ্রিস্টাইলে বক্তব্য দিতাম। এখন অনেকটা বন্দি জীবনের মতোই…।
“কথা-বার্তা হিসাব করে বলতে হয়। সাংঘাতিক…ফাউল না হয় সেদিকে ল্য রাখতে হয়।”
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই জোরে হাততালি দিয়ে হেসে ওঠে।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি লিখিত বক্তব্যের বাইরে কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে ভিডিও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া পড়ে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন পেরিয়ে আসা আবদুল হামিদ আবদুল হামিদ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।
এর আগে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ও স্পিকার ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর স্বভাবজাত হাস্যরস দিয়ে সংসদ মাতিয়ে তুলে বেশ জনপ্রিয়তা পান।

১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে জন্ম নেয়া আবদুল হামিদ কৈশোরেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তৃণমূল থেকে রাজনীতি করেই এখন তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে।
রাষ্ট্রপতি হয়ে বঙ্গভবনের বাসিন্দা হওয়ার পর নিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খেদ প্রকাশ করেন আবদুল হামিদ।
মেয়াদের এক বছর পূর্তিতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “ইচ্ছা করলেই অনেক কিছুই করতে পারি না। আর ইচ্ছা করতেও তো অনেক সমস্যা। আসলে বেশি পলিটিক্যাল মানুষের জন্য, মানে গ্রাসরুটে রাজনীতি করা মানুষের জন্য এ জায়গাটা সব সময় আরামদায়ক হবে বলে মনে হয় না।”