যশোরে ফোকাস কোচিং সেন্টার থেকে শিবিরের ৪জন আটক, লিফলেট উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরে ফোকাস কোচিং সেন্টার থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা আবু সালেহ ওবায়দুল্লাহসহ ৪জনকে আটক দেখিয়েছে পুলিশ । এসময় বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশী করে আধাকেজি জালের কাঠি, আধাকেজি কাচের মার্বেল, ৫ টি খালি জর্দ্দার কৌটা, তিনটি স্কচটেপ ও ২৫টি ইসলামী ছাত্রশিবিরের লিফলেট উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় মঙ্গলবার কোতয়ালি মডেল থানার এসআই তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, এসআই তারিকুল ইসলাম গোপন সূত্রে সংবাদ পান শহরের জজকোর্ট জামে মসজিদ গেট সংলগ্ন তাহসিন প্লাজার দ্বিতীয় তলায় ফোকাস কোচিং সেন্টারের অফিস কক্ষে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রায়কে কেন্দ্র করে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা নাশকতামূলক কর্মকা-ের পরিকল্পনা করছেন। এ খবর পেয়ে ১৫ জুন রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ফোর্স নিয়ে এসআই তারিকুল ইসলাম সেখানে অভিযান চালান এবং পুলিশ দেখে পালানোর চেষ্টাকালে ৪ জনকে আটক করেন। এরা হচ্ছেন-মনিরামপুর উপজেলার পাড়িয়ালী গ্রামের মাওলানা বশির আহমেদের ছেলে আবু সালেহ ওবায়দুল্লাহ, ঝিনাইদহের শ্রীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে বিল্লাল হোসেন, মহেশপুর উপজেলার কৈলাশপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে খন্দকার আসাদুজ্জামান রুবেল ও যশোর শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়া ফুলতলার মৃত হাজি আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুল কাইয়ুম লাভলু। এছাড়া দুই জন পালিয়ে যায়। এরা হচ্ছেন-যশোর শহরের শংকরপুর ইসহক সড়কের মৃত তকব্বর শেখের ছেলে আঞ্চলিক বিএনপির সেক্রেটারি মতিয়ার রহমান ও একই এলাকার আব্দুল গনির ছেলে আরিফ। এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ফোকাস কোচিং সেন্টারে তল্লাশী চালিয়ে আধাকেজি জালের কাঠি, আধাকেজি কাচের মার্বেল, ৫ টি খালি জর্দ্দর কৌটা, তিনটি স্কচটেপ ও ২৫টি ইসলামী ছাত্রশিবিরের লিফলেট।
তবে আটককৃত আবু সালেহ ওবায়দুল্লাহর স্বজনরা জানায়, যশোর কারাগারে এক বছর বন্দি থাকার পর পরীক্ষার জন্য আদালত থেকে জামিন পায় আবু সালেহ ওবায়দুল্লাহ। কিন্তু গত সোমবার সন্ধ্যায় জেলখানা থেকে বের হওয়ার পর জেলগেট থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।