যশোরে তিনজনকে গণপিটুনি , বোমা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া দোলনঘাটায় ৩ দুর্বৃত্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয়া হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বোমা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতরা হলো, সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া উত্তরপাড়ার আবু বক্কারের ছেলে আল-আমিন (১৯), শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাঈদ হোসেন (২০) এবং উপশহর ‘এফ’ ব্লক এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে শামীম হোসেন (২০)। এই ঘটনায় ৫ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জাহাঙ্গীর আলম। বাকি দু’পলাতক দুর্বৃত্ত হলো ঘুনি দোলনঘাটা এলাকার আব্দুল্লাহ মোল্লার ছেলে জিল্লু হোসেন এবং একই গ্রামের মোমিন মোল্লার ছেলে আজিজুল মোল্লা।
কোতয়ালি থানার ওসি সিকদার আককাছ আলী জানিয়েছেন, রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই ৩ দুর্বৃত্ত যশোর-খুলনা সড়কের ঘোড়াগাছা নামকস্থানে নিটল-টাটা কোম্পানির একটি ডিপো অফিসের সামনে দুটি বোমা মেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তারা একটি রেজিস্ট্রেশন বিহীন পালসার ব্রান্ডের মোটরসাইকেলে শহর থেকে গিয়ে সেখানে বোমা মেরে বসুন্দিয়ার দিকে যাচ্ছিল। পরে দোলনঘাটা সরকারি প্রাইমারী স্কুলের সামনে পৌছালে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। এ সময় জিল্লু ও আজিজুল পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা সেখানে পৌছে তাদের কাছ থেকে ৩টি বোমা উদ্ধার করে। এ ছাড়া মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাতেই ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।
ওসি আককাছ আরো জানিয়েছেন, নিটল-টাটা কোম্পানির টেন্ডার দিয়ে ওই এলাকায় বেশ কয়েকদিন ধরে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। তারই সূত্রে ওই বোমা মারার ঘটনা। আর আটক দুর্বৃত্তরা ভাড়াটে।