শিক্ষকরাই ‘হবেন’ নিজেদের প্রশিক্ষক

স্পন্দন ডেস্ক:সরকারের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষকদের দিয়ে তাদের নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা এবং পাঠদান বিঘ্নিত করে শিক্ষকদের যেন রাজধানী, বিভাগীয় ও জেলা শহর এবং উপজেলা সদরে যেতে না হয় সেজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে শিক্ষকদের ‘ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ’ নিয়ে খসড়া পরিপত্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত এই খসড়ার উপর ফংথংবপ১@সড়বফঁ.মড়া.নফ ই-মেইলে মতামত দেওয়া যাবে।

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা একাডেমি, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়।

খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রশিক্ষক হবেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ সব শিক্ষকই এই প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন।

“একই বিষয়ে একাধিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক থাকলে তারা যৌথভাবে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক পাওয়া না গেলে পার্শ্ববর্তী বা অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে হবে।”

‘ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ’ আয়োজন করে মাধ্যমিক স্তরের প্রধান শিক্ষকদের উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সরাসরি এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে।

প্রশিক্ষণের সময় শিক্ষকদের মধ্যে নিয়মিত পাঠদান ও অন্য দায়িত্ব সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ-সূচি নির্ধারণ করতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ইন-হাউজ প্রশিক্ষণের ব্যয় আয়োজনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে জানিয়ে খসড়া পরিপত্রে বলা হয়েছে, এই প্রশিক্ষণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ‘শিক্ষক প্রশিক্ষণ তহবিল’ গঠন করা যাবে।

মুক্তিযোদ্ধা-এতিমদের সঙ্গে
রাষ্ট্রপতির ইফতার

এতিম, বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, আলেম এবং বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে ইফতার করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

বঙ্গভবনের দরবার হলে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠানের আগে রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন টেবিল ঘুরে অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

ইফতারের আগে বাংলাদেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা সাইফুল কাবীর।

ইফতার অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট আলেম, বিভিন্ন এতিমখানা খানা থেকে আগত শিশু-কিশোর এবং বঙ্গভবনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, সমাকল্যান মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনও ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন।