যশোরের গৃহবধূকে ভারতে পাচারের অভিযোগ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গৃহবধূকে ভাল চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে যশোরে থেকে ঢাকা নেয়ার কথা বলে ভারতে পাচার করে দেহ ব্যবসা করানোর অভিযোগ কোতয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে। সোমবার সকালে মামলাটি করেছেন তিনি নিজেই। ওই গৃহবধূ শহরের শংকরপুর জমাদ্দার পাড়ার বাসিন্দা।
আসামিরা হলো শংকরপুরের জমাদ্দার পাড়ার মোহের জান বেগম ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ কুটির স্ত্রী শুকুরজান বেগম, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার গাবতলা এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে হাফিজুর ও হাফিজুরের মা পারুল বেগম।
তিনি এজাহারে উল্লেখ করেছেন, তিনি ভালবেসে শরিফুল ইসলাম শয়ন নামে একজনকে বিয়ে করে চাঁচড়া মধ্যপাড়ায় থাকতেন। সেখানে গিয়ে শুকুরজান এবং মেহেরজান তাকে ভাল কাজের প্রলোভন দেখাতো। তারা তাকে ঢাকায় গার্মেন্টেসে কাজ দিতে পারবে বলে জানায়। ভাল চাকরি পেলে তারা ভালভাবে থাকতে পারবে বলে বোঝায়। এভাবে তিনি একদিন তাদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করেন এবং ঢাকায় যেতে রাজি হন।
গত বছরের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে আসামিরা তাকে শংকরপুরের ছোটনের মোড়ের আমতলা পুকুরপাড়ে আসতে বলে। তাদের কথা মতো তিনি সেখানে যান। পরে তাকে চাঁচড়া চেকপোস্টে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বাসে করে তাকে বেনাপোলে নেয়। পরে ভারতে নিয়ে একজন দালালের কাছে তাকে বিক্রি করে দেয়। ওই দালাল তাকে জোর করে একটি বাড়িতে আটকে রেখে দেহ ব্যবসা করাতো। গত ২০ জুন তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যশোরে আসেন। ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে গত ২০ জুন পর্যন্ত তাকে আটকে রেখে নীতি বহির্ভূত কাজ করতো আসামিরা। তিনি দেশে ফিরেই থানায় অভিযোগ দেন। পুলিশ সোমবার অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড করে।