বিস্ফোরক মামলার আসামি ১৫: যশোরে আহত জিসানের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ছাল ছাবিল আহমেদ জিসান অস্ত্রসহ আটকের ঘটনায় কোতয়ালি থানায় আলাদা দুইটি মামলা হয়েছে। একটি অস্ত্র আইনে। অপরটি বিস্ফোরক আইনে। অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলার আসামি শুধু জিসান। এবং বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় আসামি করা হয়েছে জিসানসহ ১৫ জনের নামে। মামলা দুইটি করেছেন এসআই এসএম শামীম আক্তার।
বিস্ফোরক আইনে দায়েরকরা মামলার অন্যান্য আসামিরা হলো শহরের ষষ্টিতলাপাড়ার মৃত শফি মিয়ার দুই ছেলে তরিকুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান মরা, মৃত সবুরের ছেলে ট্যারা চঞ্চল, দুলাল মিয়ার ছেলে জামাল ওরফে নিগ্রো জামাল, নাইট গার্ড ফরিদের ছেলে নিশান, শ্যামলের ছেলে মানিক, মৃত বাচ্চু ড্রাইভারের ছেলে বাবু, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার বিল্লালের ছেলে সাইদুর, চাঁচড়া রায়পাড়ার মৃত ভ্রমর মিয়ার ছেলে ভ্রমর বাপ্পি, বাশার হুজুরের ছেলে ইসহাক, একই এলাকা ফয়সাল, খড়কি পীরবাড়ি এলাকার মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে বর্ষণ, খড়কি কলাবাগান এলাকার ফায়েকুজ্জামান শেখের ছেলে রমজান আলী এবং শংকরপুর এলাকার মেছিয়ার খোকানের ছেলে সাঈদ।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, এলাকায় আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী তরিকুল এবং সাইদুল গ্রুপের মধ্যে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছিল। গত ৫ ডিসম্বের সকাল ৭টার দিকে রেলগেট এলাকায় সুফির চায়ের দোকানের সামনে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে সেখানে তিনি যান এবং সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তবে সেখানে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় পড়ে ছিল জিসান। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে জিসানের কোমারে গোজা অবস্থায় একটি ম্যাগজিনসহ একটি পিস্তল, একটি ধারালো চাপাতি এবং বিস্ফোরিত বোমার স্পিøন্টার উদ্ধার করা হয়।
এসআই শামীম আরো বলেছেন, দুইটি মামলায় জিসানকে আটক দেখানো হয়েছে। আর রোববার সকালে ষষ্টিতলা পাড়া থেকে বিস্ফোরণ মামলার আসামি ট্যারা চঞ্চলকে আটক করা হয়েছে।
ছালছাবিল আহমেদ জিসান ছাত্রলীগ যশোর শহর শাখার যুগ্ম আহবায়ক এবং পুরাতনকসবা মিশনপাড়ার হাফিজুর রহমান সেলিমের ছেলে।