যশোরে প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময়: নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে কঠোর প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর পৌরসভার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখতে করণীয় সবকিছুই করা হবে বলে প্রার্থীদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা এমন কথা জানিয়েছেন। এ সময় বক্তব্য দেন যশোরের জেলা প্রশাসক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সাবিনা ইয়াসমীন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক।
মতবিনিময়কালে যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ৪ মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, বিএনপির মারুফুল ইসলাম মারুফ, স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএস কামরুজ্জামান চুন্নু ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী ছাড়াও ৪১ জন কাউন্সিলর ও ১২ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। তবে এসময় কোনো প্রার্থীকে বক্তব্য দেবার সুযোগ দেয়া হয়নি।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, প্রচারণার সময় কাউকে কাউকে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। এছাড়া কোনো কোনো প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। এসব ব্যাপারে সতর্ক না হলে জেল-জরিমানা এমনকি প্রার্থিতা বাতিলের মতো শক্ত অবস্থানে যেতেও প্রশাসন বাধ্য হবে। এছাড়া নির্বিঘেœ ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে দিয়ে ভোট দিতে পারেন সেজন্য যা যা করার তার সবটাই প্রশাসন করবে। এসময় জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে সোমবার নির্বাচনী কাজে বাঁধাদান ও কার্যালয় ভাঙচুরের লিখিত অভিযোগ করেছেন যশোর পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কামরুজ্জামান চুন্নু এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আনিসুর রহমান মুকুল। কামরুজ্জামান চুন্নু বলেছেন, আমার পূর্ববারান্দিপাড়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগেও আমার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। এতে করে আমি জীবনাশংকার মধ্যে পড়েছি। একই অভিযোগ আনিসুর রহমান মুকুলের। তিনি বলেছেন, পোস্ট অফিসপাড়া ও লালদীঘি এলাকায় তাকে বাঁধা দিচ্ছে লোকজন। ছিড়ে ফেলা হচ্ছে পোস্টার ও লিফলেট।