অভয়নগরে জীবন বীমা শাখা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি>
অভয়নগরে জীবন বীমা শাখা ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রাহকদের বীমার টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাতের ঘটনা বিভাগীয় তদন্ত হলেও পূণরায় গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা ও জমাকৃত টাকা আত্মসাত করে দু’তলা বাড়ি করার অভিযোগ উঠেছে।
গ্রাহকরা জানান, তাদের অভিযোগের ভিত্তিত্বে অক্টোবর মাসে খুলনা জীবন বীমার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রশিদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত টিম অভয়নগরের শাখা ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্তে আসেন। তদন্তে গ্রাহকদের বীমার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেলেও আজ পর্যন্ত শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। যে কারণে প্রতারক শহিদুল ইসলামের প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাত প্রবণতা বেড়ে গেছে। প্রতারণার শিকার স্থানীয় এমবিবিএস ডাক্তার, শিক্ষক, চাকরিজীবী, ঘাট শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ অসংখ্য গ্রাহক শহিদুল ইসলামের বিচারের দাবি করেছেন। ভূক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নওয়াপাড়া পৌরসভার মেয়রের নিকট শহিদুলের বিচার দাবি ও তাদের বীমার টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করবেন বলে জানান।
ভূক্তভোগী উপজেলার বারান্দী গ্রামের রশিদ মোল্যা জানান, তার ২৫৮১৭৬৫-১ অভয়নগর জীবন বীমার শাখা ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম (৯১৪) রিসিট কেটে টাকা জমা নিলেও যশোর জেলা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, গত ২ বছরে বীমার কোন টাকা জমা পড়েনি। উপজেলার বিভাগদী গ্রামের উদীচী শিল্পী গোষ্ঠির সদস্য উৎপল কুমার দাস, গুয়াখোলা গ্রামের কামাল হোসেন, ধলিরগাতী মধ্যপাড়ার শহর আলী মোল্যার স্ত্রী হাজিরা বেগম, আবুল হোসেনের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, রাজঘাটের হাবিবুর রহমানসহ অর্ধশত গ্রাহক বীমার টাকা জমা দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে বোনাস অথবা পূর্ণ টাকা তুলতে পারছেন না। কারণ এই সকল গ্রাহকদের টাকা শহিদুল ইসলাম আত্মসাত করে নওয়াপাড়া পৌরসভা ঈদগাহ সংলগ্ন জমি কিনে দু’তলা বাড়ি করেছেন। সাধারণ গ্রহকদের অভিযোগ শহিদুল ইসলামের নিকট এ সকল বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে সময় নেই, পরে আসেন, সঠিক সময় টাকা পেয়ে যাবেন বলে ছলচাতুরি করে আসছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম জানান, পূর্বের সকল ঘটনার সমাধান হয়েছে। বর্তমানে কোন সমস্যা নেই। আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করছে।