যশোরের ভুয়া ডাক্তার খলিলের বিরুদ্ধে এবার স্ত্রীর মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক>
এবার স্ত্রীকে মারপিট এবং নগদ টাকা ও সোনার গহনা লুট করার অভিযোগে যশোরের বহুল সমালোচিত ভুয়া ডাক্তার খলিলের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে মামলা হয়েছে। খলিলুর রহমান অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। এর আগে খলিলুর রহমান তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম এবং দুই শ্যালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
স্ত্রী এসএম মাহমুদা বেগমের দায়ের করা মামলার অপর আসামি হলো বসুন্দিয়া মোড়ের সিদ্দিকুর রহমান (৩০)।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, খলিলুর রহমানের বসুন্দিয়া মোড়ে মহুয়া ক্লিনিক নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। স্ত্রী মাহমুদা বেগমের কাছ থেকে তিনি প্রায় সময় ক্লিনিক চালানোর নামে অনেক টাকা ধার নিয়েছেন। টাকা চাইতে গেলে তাকে নানা ভাবে মারপিট করা হয় এবং হুমকি দেয়। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে টাকা পয়সা নিয়ে তার সাথে বিরোধ বাধে। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে খলিলুর বাড়িতে যায় এবং মাহমুদাকে বেধড়ক মারপিট করে। পরে তার টিভি ট্রলিও ড্রয়ারে রাখা নগদ ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং মোট এক লাখ ৭৩ হাজার টাকার সোনার গহনা নিয়ে যায়। তার সহযোগী সিদ্দিকবুর রহমানও ঘরের মধ্যে খাটের ওপর থাকা দুইটি মোবাইল ফোন সেট নিয়ে চলে যায়। ঘটনার পর তিনি চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখান থেকে অভিযোগ লিখে তিনি বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমকে দিয়ে কোতয়ালি থানায় দেন।
এর আগে কথিত ডাক্তার খলিলুর রহমান তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম এবং তার দুই শ্যালক জাহাঙ্গীর ও শামীমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেখানে অভিযোগ ছিলো, খলিলকে মারপিট করে তার কাছ থেকে ক্লিনিক লিখে নেয়ার জন্য চাপ দেয় এবং সোনার গহনা এবং নগদ টাকা নিয়ে নেয়া হয়।