স্ত্রী শ্যালকের বিরুদ্ধে ভুয়া ডাক্তার খলিলের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক >
চুরি, মারপিট ও ভাঙচুরের অভিযোগে স্ত্রী ও দুই শ্যালকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া এলাকার বহুল আলোচিত ভুয়া ডাক্তার খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি থানায় এ মামলা করা হয়। খলিলুর রহমান অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আব্দুল খালেকের ছেলে।
আসামিরা হলেন, ডাক্তার খলিলের বর্তমান স্ত্রী এসএম মাহমুদা বেগম, মাহমুদার ভাই জাহাঙ্গীর ও শামিম হোসেন।
খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে স্ত্রী মাহমুদা ও তার দুই শ্যালক তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মহুয়া সার্জিক্যাল ক্লিনিকে যায়। এসময় ক্লিনিকটি মাহমুদার নামে লিখে দেয়ার জন্য ৩শ’ টাকার ফাঁকা স্ট্যাস্পে স্বাক্ষর করতে বলে। স্বাক্ষর করতে রাজি না হওয়ায় তাদের হাতে থাকা অস্ত্র ও বাঁশের লাঠি দিয়ে তাকে মারপিট করে আহত করে। এসময় খলিলের হাতে থাকা দু’টি সোনার আংটি, একটি চেইন, নগদ টাকা চুরি করে নেয়। এছাড়া মূল্যবান মালামাল ভাঙচুর করে এক লাখ ১৭ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে খলিলুর রহমানের স্ত্রী মাহমুদা বেগম জানিয়েছেন, অনৈতিক কর্মকান্ডের কারনে বেশ কিছু দিন ধরে খলিলের সাথে তার সম্পর্ক ভাল যাচ্ছেনা। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে খলিল তার কাছে অনেক টাকা ধার নিয়েছেন। ওই টাকার জন্য চাপ দিলে আমাকে মারপিট ও মামলাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন।
তবে একটি সূত্রে জানাগেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোরের একটি ফাঁড়ির পুলিশ খলিলুর রহমানকে আটক করে। পরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে খলিল মুক্ত হন। তাকে আটক করে আদালতে না পাঠিয়ে উল্টো তার দায়ের করা মামলা পুলিশ গ্রহণ করেছে।