ভাষা সৈনিক হামিদা রহমানের সেই জীবনস্মৃতি এখন এম এম কলেজে

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোর সরকারি এম এম কলেজে ভাষা সৈনিক হামিদা রহমানের নামে একটি হল রয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাঁর সম্পর্কে জানেনা। এমনকি কলেজের অনেক শিক্ষকেরও পরিস্কার কোন ধারনা নেই। তাঁর সম্পর্কে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে কোন তথ্যও নেই। কিন্তু দেশ ভাগের আগে ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে নতুন রাস্ট্র পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা হবে উর্দু এমন যুক্তিতে কোলকাতার আজাদ পত্রিকায় নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এর প্রতিবাদ জানিয়ে এম এম কলেজের ছাত্রী হামিদা খানম ‘ স্বাধীনতা’ পত্রিকায় ১০ জুলাই একটি চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা হবে বাংলা। এখান থেকেই ভাষা আন্দোলনের সুত্রপাত হয়। পরবর্তিতে তিনি রাস্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ যশোরের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব নিয়ে পুরো দেশে ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে দেন।
এই ইতিহাস জানানোর জন্য গতকাল সোমবার ঢাকা থেকে এসে দৈনিক জনতা পত্রিকার সম্পাদক আহসান উল্লাহ যশোর এম এম কলেজের অধ্যক্ষর হাতে হামিদা রহমানের লেখা ‘জীবনস্মৃতি’ গ্রন্থটি তুলে দেন । এই গ্রন্থে হামিদা রহমান ভাষা আন্দোলনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন। বিকেলে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মিজানুর রহমানের হাতে গ্রন্থটি তুলে দিয়ে কলেজের প্রাক্তন ছাত্র আহসান উল্লাহ হামিদা রহমানের অনেক অজানা কথা তুলে ধরেন। এসময় ব্ক্তব্য রাখেন , দৈনিক কল্যাণ পত্রিকার সম্পাদক একরাম-উদ-দ্দৌলা, দৈনিক স্পন্দনের নির্বাহী সম্পাদক মাহবুব আলম লাবলু, সাংবাদিক ফখরে আলম, হাবিবুর রহমান মিলন ও কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ নমিতা বিশ্বাস। গ্রন্থটি হাতে পেয়ে অধ্যক্ষ বলেন,‘ আমরা হামিদা রহমান সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারলাম। ভাষা আন্দোলনের গবেষনায় যা কাজে লাগবে । আমরা কলেজে তাঁর সংগ্রামি জীবন নিয়ে একটি কক্ষ সাজাতে চাই। ’