বেসরকারি খাতে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক >
স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে আর্থিক, নীতি নির্ধারণ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গঠনে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম ‘চালিকাশক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

হোটেল রেডিসনে ‘অর্থনীতির নতুন ভাবনা: ২০৩০ ও পরবর্তী বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ সম্মেলন শুরু হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, “এ দেশ আমাদের দেশ। ব্যক্তি এবং গোষ্ঠি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে একসাথে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।”

ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সে বিশ্বাস আমার আছে। আমরা পারব। আসুন, আমরা দেশের মানুষের জন্য কাজ করি।”

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বিশ্বের ২৯তম এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ২৩তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হওয়ার যে সম্ভাবনার কথা যুক্তরাজ্যভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপারস তাদের ২০১৫ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, তা প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

“এ লক্ষ্য অর্জনে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, বাণিজ্যের প্রসার, রেমিটেন্স বৃদ্ধি, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের ধারায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করবে।”

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

২০৪১ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি এশিয়ার আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “স্থানীয় সাপ্লাই চেইন এবং গ্লোবাল ভ্যালু চেইন আঞ্চলিক, উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগ ও সংযোগ সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।