কলারোয়ায় আমজাদ ও মতিয়ার, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে রোকেয়া নির্বাচিত

আতাউর রহমান, কলারোয়া >
জেলা পরিষদ নির্বাচনে কলারোয়া উপজেলার দু’টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ ভোট গ্রহণ চলে। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে কলারোয়া পৌরসভা, হেলাতলা, কেরালকাতা, সোনাবাড়িয়া ও চন্দনপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৬৩ টি ভোটের মধ্যে ৬২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে এ ওয়ার্ডে অংশ গ্রহণ করেন ৭ জন প্রার্থী। এরমধ্যে আলহাজ্ব শেখ আমজাদ হোসেন (প্রতীক- ঘুড়ি) ২৫ ভোট পেয়ে সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলিমুর রহমান পেয়েছেন (প্রতীক-টিউবওয়েল) ১৯ ভোট। অপর সদস্য প্রার্থী সহিদুল ইসলাম (প্রতীক-উটপাখি) পেয়েছেন ১১ ভোট, শওকত আলী খাঁ (প্রতীক-হাতি) পেয়েছেন ৩ ভোট, আলকামুন হোসেন (প্রতীক-বৈদ্যুতিক পাখা) পেয়েছেন ২ ভোট। আব্দুল মাজেদ বিশ্বাস ও শফিকুল ইসলাম কোনো ভোট পাননি। অপরদিকে কলারোয়ার বামনখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেয়াড়া, কুশোডাঙ্গা, যুগিখালী, জয়নগর, জালালাবাদ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৫৬ ভোটের মধ্যে ৫৬ জনই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সদস্য পদে এ ওয়ার্ডে অংশ গ্রহণ করেন ৫ জন প্রার্থী। এরমধ্যে মতিয়ার রহমান মতি (প্রতীক-অটোরিক্সা) ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার (প্রতীক-টিউবওয়েল) পেয়েছেন ১৭ ভোট। এছাড়া আব্দুর রশীদ সানা (প্রতীক-তালাচাবি) পেয়েছেন ১৩ ভোট, আব্দুল মুত্তালিব মাস্টার (প্রতীক-হাতি) পেয়েছেন ২ ভোট। সাঈদ গাজি (প্রতীক-বৈদ্যুতিক ভ্যান) কোনো ভোট পাননি। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে (১, ২, ৩ নং ওয়ার্ড) কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রে রোকেয়া মোসলেম (প্রতীক ফুটবল) ৪৬, বামনখালি হাইস্কুল কেন্দ্রে ৩৫ ও ঝাউডাঙ্গা হাইস্কুল কেন্দ্রে ৩৪ ভোট পান। তিনি সর্বমোট ১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রাজিয়া সুলতানা (প্রতীক-হরিণ) উল্লেখিত ৩ কেন্দ্রে পেয়েছেন যথাক্রমে ১৬, ২১ ও ৪৩ ভোট। তাঁর সর্বমোট প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৮০।