জেলা পরিষদ>যশোরে বিজয়ী হলেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক>
শান্তিপূর্ণভাবে বুধবার যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে শুরু করে বিকেল ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহন চলে ।
আগেই যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা শাহ্ হাদিউজ্জামান বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া ১৫টি সাধারণ সদস্য পদের মধ্যে ৩ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং সংরক্ষিত সদস্য পদের ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট গ্রহন স্থগিত করা হয়েছে। হাইকোর্টে প্রার্থীদের রিট নিষ্পত্তি না হওয়ায় এ ৪টি ওয়ার্ডে গতকাল ভোটগ্রহন স্থগিত করেন নির্বাচন কমিশন।
সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইব্রাহিম খলিল (৫৩ ভোট), ৪ নম্বর ওয়ার্ডে (চৌগাছা) হবিবর রহমান (৪২ ভোট), ৫ নম্বর ওয়ার্ডে (চৌগাছা) দেওয়ান তৌহিদুর রহমান (৪১ ভোট), ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেহেদি হাসান মিন্টু (৬০ ভোট) ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আলহাজ আব্দুল খালেক (৩৪ ভোট), ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এফএম আশরাফুল কবীর (৪৭ ভোট), ১০ নম্বর ওয়ার্ডে শাহ মুরাদ (২৯ ভোট), ১১ নম্বর ওয়ার্ড (মনিরামপুর উপজেলার কুলটিয়া, মনোহরপুর, নেহালপুর, হরিদাসকাটি ইউনিয়ন ও অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী, পায়রা, ভাগুটিয়া ইউনিয়ন) এমএম ফারুক হোসেন (২৬ ভোট) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ১২ নম্বর ওয়ার্ডে (মনিরাপুর উপজেলার মনিরামপুর পৌরসভা, মনিরামপুর সদর, ঢাকুরিয়া, শ্যামকুড়, খানপুর ও দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন) ৩৩ ভোট পেয়ে গৌতম চক্রবর্তী নির্বাচিত হন। মনিরামপুর উপজেলার ভোজগাতি, কাশিমনগর, রোহিতা, খেদাপাড়া, ঝাঁপা, চালুয়াহাটি ও হরিহরনগর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে শহীদুল ইসলাম মিলন ৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে হাসান সাদেক (৪৮ ভোট) ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সোহরাব হোসেন (৬২ ভোট) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়া সংরক্ষিত সদস্য পদের ১নম্বর ওয়ার্ডে শাহানা আক্তার ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী ৯৭ ভোট পেয়েছেন। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে (১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড) ১৩১ ভোট পেয়ে লাইলা খাতুন নির্বাচিত হয়েছেন । তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী কাজী মোছা. জলি আক্তার পেয়েছেন ১১৮ ভোট। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে (১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড) রুকসানা ইয়াসমিন পান্না ২০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী রাবেয়া ইকবাল মাত্র ৬৪ ভোট পান।