প্রাথমিক সমাপনীতে যশোরে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে

মিরাজুল কবীর টিটো>
যশোরে প্রাথমিক সমাপনীতে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে। গতকাল জেলা প্রাথমিক অফিসের শিক্ষা সমাপনীর প্রকাশিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৪৬ হাজার ৪৯১ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছে ৪৫ হাজার ২৬০ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৩৩৬ জন। গত বছর এ পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ৩৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছিল ৪৬ হাজার ১০৭ জন। পাসের হার ছিল ৯৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫ হাজার ৬০১ জন শিক্ষার্থী। যশোর জেলার ৮ উপজেলার মধ্যে অভয়নগরে বালক পাসের হার ৯৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৫ জন, বালিকা পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৬ জন। কেশবপুরে বালক পাসের হার ৯৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭১ জন, বালিকা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭০ জন। চৌগাছায় বালক পাসের হার শতভাগ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯১ জন, বালিকা পাসের হার শতভাগ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯১ জন, বালিকা পাসের হার শতভাগ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩৪ জন। ঝিকরগাছায় বালক পাসের হার ৯৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১৯ জন, বালিকা পাসের হার ৯৩ দশমিক ৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৩ জন। বাঘারপাড়ায় বালক পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৭ জন। বালিকা পাসের হার ৯৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৩ জন। মণিরামপুরে বালক পাসের হার ৯৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬৪ জন। বালিকা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৬ জন। শার্শায় বালক পাসের হার ৯১ দশমিক ৭৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৬ জন। বালিকা পাসের হার ৯০ দশমিক ৩৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮১ জন। সদর উপজেলায় বালক পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯৩ জন। বালিকা পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮০৭ জন। এদিকে, যশোরে ইবতেদায়ী পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় এ বছর পাসের হার বেড়েছে। কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এ বছর ইবতেদায়ী পরীক্ষায় ৫ হাজার ৯৫৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করে ৫ হাজার ৮৮৯ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৮ জন। গত বছর ইবতেদায়ী পরীক্ষায় ৬ হাজার ৮৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছিল ৬ হাজার ২০ জন। পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৮৫ জন। ইবতেদায়ীতে এ বছর ৯৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ পাসের হারের মধ্যে অভয়নগরে বালক পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। বালিকা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। কেশবপুরে বালক পাসের হার ৯৮ দশমিক ৬২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। বালিকা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। চৌগাছায় বালক পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। বালিকা পাসের হার শতভাগ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। ঝিকরগাছায় বালক পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন। বালিকা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, বাঘারপাড়ায় বালক পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। বালিকা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। মণিরামপুরে বালক পাসের হার ৯৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। বালিকা পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। শার্শায় বালক পাসের হার ৯৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছ ২ জন। বালিকা পাসের হার ৯৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। সদর উপজেলায় বালক পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮০ শতাংশ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন। বালিকা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারী বলেন, শিক্ষার মান ভাল করার লক্ষ্যে সুন্দরভাবে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। তবে গণিত বিষয়ের প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা খারাপ দিয়েছে। তাই পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।