নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ ক্লোজড

নিজস্ব প্রতিবেদক>
নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে যশোর সদরের বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জাফর আহমেদকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে ক্লোজড করা হয়। ক্লোজ করার তথ্য তিনি নিজেই নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।’
সদর উপজেলার বানিয়ারগাতী এলাকার লোকজন জানিয়েছে, ওই গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী লিপি বেগম ঘুনি এলাকার একটি ফিড মিলের শ্রমিক। তার স্বামী আবুল হোসেন অসুস্থ। সে কারণে তিনি তার স্বামীর বাড়িতে সচারচর থাকেন না। তার পিতার সিঙ্গিয়াস্থ বাড়িতে থেকে মিলে যাতায়াত করে থাকেন। ওই যাতায়াতের পথে পরিচয় হয় এসআই জাফর আহমেদের সাথে। বেশ কয়েক মাস ধরে নিয়মিত লিপির পিতার বাড়িতে এসআই জাফর যাতায়াত করে থাকেন। এতে তাদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি এলাকার লোকজন জানতে পারে এবং তাদের ধরার জন্য কৌশল নেয়। ওই কৌশল বুঝতে পরেন এসআই জাফর। তিনি লিপিকে দিয়ে শহরের মোল্লা পাড়ার একটি বাড়ি ভাড়া করেন।
গত সোমবার রাতে লিপি বেগম হঠাৎ করে তার শ্বশুর বাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং রাত ১২টার দিকে একটি ঘরে এসআই জাফর যান। এলাকার লোকজন বুঝতে পেরে ওই ঘরের বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। সে সময় উপয়ান্তর না দেখে জাফর পেছনের একটি দরজা দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করলে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে এবং গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে রাখাও হয় বলে প্রচার আছে। সংবাদ পেয়ে কোতয়ালি থানার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেখানে যান এবং তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে এসআই জাফরকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই জাফর আহমেদ তার ক্লোজড হওয়ার খবর নিশ্চিত করেন। কী কারণে ক্লোজড এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। এর চেয়ে বেশি কিছু আমার মুখ থেকে বের হচ্ছে না। আমার সংসার আছে। আমি সেটা নিয়ে ভাবছি। আপনারা তদন্ত করে দেখেন আসল ঘটনা কী।’
এই বিষয়ে কথা বলার জন্য কোতয়ালি থানার ওসি একেএম আজমল হুদার কাছে মোবাইল করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন সংযোগ কেটে দেয়ায় মন্তব্য জানাযায়নি।