রমজান জুড়ে মুসাফিরদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা থাকে দড়াটানা মসজিদে

মারুফ কবীর>
বুধবার ছিলো চতুর্থ রমজান। এদিন যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দড়াটানা জামে মসজিদে ইফতারের আয়োজন ছিল। শুধু এদিন নয় সারা রমজান জুড়ে এ মসজিদে মুসাফিরদের জন্য ইফতারের সুব্যবস্থা করে থাকেন কর্তৃপক্ষ। ইফতারের সময় এক কাতারে সামিল হন দু’শতাধিক মুসাফির। যেটি শিক্ষা দেয় ত্যাগ ও সম্প্রীতির। বিগত দিনে মসজিদ তহবিল থেকে রমজানে ইফতারের ব্যবস্থা করা হতো। তবে গত বছর থেকে সম্পূর্ণ দানের ওপর চলছে এ মসজিদে ইফতারের আয়োজন। ইফতার দান করেন মসজিদের আশপাশের মুসল্লিরা। আয়োজনে এতটুকু ঘাটতি নেই। বাজারের পাশে হওয়ায় মুসাফিরের সংখ্যা অন্যান্য মসজিদের তুলনায় সবসময় বেশি থাকে দড়াটানা মসজিদে।
গতকাল সরেজমিনে যশোর দড়াটানা জামে মসজিদে গিয়ে দেখা যায় দু’শতাধিক মুসাফির ইফতার করছেন। মসজিদের দোতলায় সারিবদ্ধ হরে ছোট বড়, বৃদ্ধ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইফতারে বসেছেন। মসজিদের ঈমাম মুফতি আমান-উল্লাহ বলেন, আমাদের মসজিদটি শহরের প্রাচীন ও পরিচিত মসজিদের মধ্যে অন্যতম। তাছাড়া শহরের প্রাণ কেন্দ্রে মসজিদটির অবস্থান। যে কারনে ইফতারে লোক সমাগম ভালো হয় । এখানে চতুর্থ রমজানে দু’শতাধিক মুসাফির ইফতার করেন। বৃষ্টির কারনে লোক সমাগম কিছুটা কম। অন্যান্য দিন আড়াই’শ মুসাফির ইফতারে সামিল হন। তাছাড়া শুক্রবার, শবে কদর রাতে মুসাফিরের সংখ্যা তিনশ’ ছাড়িয়ে যায়। পাশে মার্কেটের দোকান মালিকরা বিশেষ করে ইফতারের খরচ দিয়ে থাকেন। এমনকি অনেক দিন একের অধিক লোক ইফতারের ব্যবস্থা করে থাকেন । সে ক্ষেত্রে ইফতারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। ইফতার দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা মসজিদ কমিটির লোকজন ও মসজিদের খাদেমের সাথে আলোচনা করে ইফতারের ব্যবস্থা করে থাকেন। শহরে কাজে আসা ব্যক্তিরাও নিরুপায় হয়ে মসজিদে ইফতার করেন। ইফতারের বিশাল এ আয়োজনে সহায়তা করেন দড়াটানা মাদ্রাসার শিক্ষাথীরা। ঈমাম আরও বলেন, পর্যাপ্ত ইফতারের ব্যবস্থা থাকে আমাদের মসজিদে। মুসাফিররা তৃপ্তি সহকারে ইফতার করেন। তাছাড়া কিছু ভিক্ষুকও অংশ নেন।