অতিথি কলাম>আল্লাহর নামের মহিমা

আলহাজ্জ শাহ রফিকুজ্জামান>
আল্লাহ বিশ্বজগতের সৃষ্টিকর্তা। মহিমাময় এই নামটি লিঙ্গ ও বচনভেদ হতে সম্পুর্ণ মুক্ত। আল্লাহর নামের অর্থ অদ্বিতীয় অনন্ত, অক্ষয়, চিরজাগ্রত, সর্বশক্তিমান, সৃষ্টিকর্তা, ব্যকরনের কোন ধাতু হতে এই নাম উৎপন্ন হয় নাই। পৃথিবীর কোন ভাষায় বা শব্দে ইহার অনুবাদ হতে পারে না। বিভিন্ন ভাষায় আল্লাহকে খোদা, গড়, ভগবান, ইশ্বর, পরোমেশ্বর, জগতপিতা, সৃষ্টিকর্তা ইত্যাদী বলা হয়। আল্লাহ বলতে সর্বশক্তিমান অদ্বিতীয় আল্লাহকে বুঝায় যিনি সমস্ত বিশ্ব জগতকে সৃষ্টি করেছেন ও প্রতিপালন করছেন। আল্লাহ অসিম ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে:
وَلِلّهِ الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ فَأَيْنَمَا تُوَلُّواْ فَثَمَّ وَجْهُ اللّهِ إِنَّ اللّهَ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
র্পূব ও পশ্চমি আল্লারই। অতএব, তােমরা যদেকিইে মুখ ফরোও, সদেকিইে আল্লাহ বরিাজমান। নশ্চিয় আল্লাহ র্সবব্যাপী, র্সবজ্ঞ। (সুরা বাকারা ১১৫) ।
وَلَهُ مَا فِي الْسَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَلَهُ الدِّينُ وَاصِبًا أَفَغَيْرَ اللّهِ تَتَّقُونَ
যা কছিু নভােমন্ডল ও ভুমন্ডলে আছে তা তাঁরই এবাদত করা শাশ্বত র্কতব্য। তােমরা কি আল্লাহ ব্যতীত কাউকে ভয় করবে (সুরা নাহাল ৫২)
আল্লাহর মহান সৃষ্টি সম্পর্কে বলা হয়েছে,
وَلَقَدْ خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ وَمَا مَسَّنَا مِن لُّغُوبٍ
আমি আকাশ সমুহ ও জমিনকে এবং ইহার মধ্যে অবস্থিত সকল বস্তুকে ৬দিনে সৃষ্টি করেছি। অথচ কোন ক্লান্তি আমাকে স্পর্শ করতে পারে নাই। (সুরা ক্বফ ৩৮)
আল্লাহ বলতে অদ্বিতীয় আল্লাহকেই বুঝায়। এই জন্য এই নামকে ইসমে আজম বলা হয়েছে। আল্লাহর নাম সব সময় জিকর করিলে মানুষ অলৌকিক ক্ষমতাবান হতে পারে ইহা পরিক্ষিত ও প্রমানিত। হযরত বায়েজীদ বেস্তামী রঃ ্িনজের আমল হতে বর্ণনা করে গিয়েছেন। ইয়া আল্লাহ এই পবিত্র নামটি ৪৩৫৬ বার করে ৪০ দিন জিকির করলে আল্লাহ মনের বাসনা অবশ্যই পুরণ করবেন। আল্লাহ নামের অপর শক্তি সম্পর্কে দুনিয়ার অনেক বিখ্যাত সাধক ওলী আওলিয়া বলেছেন: মৃত ব্যতীত যাবতিয় দুরারোগ্য ব্যাধির ইহা ঔষধ। মহানবী সঃ বলেছেন افضل الذكر ذكر الله অর্থাৎ সকল জিকির হতে আল্লাহর নামের জিকির উত্তম। নবী সঃ আরো বলেছেন যে ব্যক্তি রাত্রিতে আল্লাহর নামের যিকির করবে তার অন্তরে এবং মৃত্যু হলে কবরে নুর চককাইতে থাকবে। আল্লাহ বলে ডাকলে আল্লাহ সাড়া দিবেন। ইয়া রহমানু অর্থাৎ দয়ালু এই নাম ধরে আল্লাহকে ডাকলে মনের সকল দুশ্চিন্তা, গ্লানি, অলসতা, কুটিলতা আর বিভ্রান্তি দুর হয়ে মনে শান্তি ফিরে আসবে। এই নামের মহিমায় নির্দয়, নিষ্ঠুর, নির্লজ্জ ব্যক্তিও দয়াশীল বিনয়ী লজ্জাশীল হয়ে ওঠে। ইয়া রহমানু বার বার পড়লে দুরারোগ্য ব্যধি উপসম হয়ে যায়। ইয়া রহিমু (হে পরম দয়াময়) অর্থাৎ করুণাশীল এই পবিত্র নাম ধরে আল্লাহকে ডাকলে হৃদয়ে অনুগ্রহ ও দয়ার সঞ্চার হয়ে থাকে। অন্তর হতে ইয়া রহীমু বলে ডাকলে গায়েবী স্থান হতে স্নিদ্ধ ঝর্ণা ধারার মত আল্লাহর করুনা নেমে আসে। হৃদয় ভালবাসায় ভরপুর হয়ে ওঠে। পবিত্র কোরআন শরীফে আল্লাহ তায়ালার অনেকগুলি গৌরবময় নামের উল্লেখ রয়েছে। হাদীস শরীফেও আল্লাহর ৯৯টি অতি পবিত্র নাম বর্নিত হয়েছে। মহান আল্লার চার হাজার ছিফাতী নাম রয়েছে। তার মধ্যে তিন শত নাম তাওরাতে, তিনশত ‎ইঞ্জিলে ও শত শত অতি উত্তম নাম কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সকল পবিত্র নামের অলৌকিক গুন ও অসাধারণ শক্তি রয়েছে। প্রত্যেক নামের ভিন্ন ভিন্ন গুন ও শক্তি রয়েছে। যে নামের যে গুন ও অর্থ ওই নামের যিকির দ্বারা ্ওইরূপ ফজিলাত লাভ হয়ে থাকে। এই সকল মহিমাময় নামের আমল দ্বারা বহু বিপদ আপদ ও ব্যধি হতে মুক্তি মিলে যায়। করুনাময় আল্লাহকে এই সব নামের মধ্যো দিয়েই স্বরণ করা উচিত। আল্লহ নিজেই বলেছেন, তোমরা আমাকে স্বরণ কর আমিও তোমাদেরকে স্বরণ করব। বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম ইহা পবিত্র কোরআনের এক বিশেষ আয়াত। এই আয়াতে আল্লাহ, রহমান ও রহীম এই তিনটি অতি পবিত্র নামের সংযোজন কারেছেন। প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সঃ বলেছেন, কোন সুভকার্জ বিসমিল্লাহ না বলে আরম্ভ করলে উহা বরকত শুন্য হয়ে যায়। রসুলুল্লাহ সঃ এর এই উক্তি হতে স্পষ্ঠ বুঝা যাচ্ছে যে, বিসমিল্লাহ শব্দটির মধ্যে সীমাহীন কল্যাণ রয়েছে। বিসমিল্লাহ এর গুনে মানুষের ইহকাল ও পরকালের অশ্চার্য কল্যাণ হয়ে থাকে। যে ব্যক্তি চার হাজার বার বিসমিল্লাহ পাঠ করবে শেষ বিচারের দিন তার স্থান আরশের পাশেই রচিত হবে। যারা নিজের এবং অপরের ভাল চেয়ে থাকে তারা সকল কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে থাকেন। হযরত ওমর রাঃ বিসমিল্লহ লিখিত টুপি পাঠিয়ে রোম সম্রাটের ভয়ানক শিরঃপিড়া ভাল করেছিলেন। হযরত নুহ আঃ এই বিসমিল্লাহর বরকতেই মহাপ্লাবনের মধ্যেও নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারছিলেন।
এই সবই অলৌকিক ঘটনা কিন্তু ঐতিহাসিক ভাবে সত্য। নিরাকার অবায়বহীন করুনাময় আল্লাহ এই জগত সংসারের মালিক ইহা অন্তরে লালন কারীদের বলা হয় আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাসি বা আস্তিক। আর ইহাতে অবিশ্বাসিদের বলা হয় নাস্তিক। বিশ্বাসিদের ঈমান হয় দৃঢ়। তারা জীবনের সকল মুহুর্তে থাকে প্রচন্ড আত্ববিস্বাসী। আর অবিস্বাসীরা হয়ে থাকে সংকির্ণমনা, অসৎ এবং দুর্বল। সর্বশক্তিমান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের সম্পর্কে বলেছেন:
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ ذَلِكَ الْفَوْزُ الْكَبِيرُ
নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎ কার্য করবে তাদের জন্যই জান্নাত। যার নিম্নে স্রেতস্বিনী সমুহ প্রবাহিত। ইহাই সুমহান সফলতা। (সুরা বুরুজ: ১১)
আল্লাহ বিশ্বাসীদের জন্য আরো বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَآمِنُوا بِرَسُولِهِ يُؤْتِكُمْ كِفْلَيْنِ مِن رَّحْمَتِهِ وَيَجْعَل لَّكُمْ نُورًا تَمْشُونَ بِهِ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
হে বিশ্বাসীগন তোমরা আল্লাহকে ভয় করবে এবং তার রসুলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে। তিনি তোমাদেরকে স্বিয় অনুগ্রহ হতে দিগুন অংশ অর্পন করবেন এবং তিনি তোমাদের জন্য এরূপ জ্যোতি সৃষ্টি করবেন যা দ্বারা তোমরা পথ অতিক্রম করবে এবং তিনি তোমাদের মার্জনা করবেন এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুনাময় (সুরা হাদীদ : ২৮)
আর আল্লাহর অস্তিত্বে অবিশ্বাসীদের সম্পর্কে বলেছেন,
فَأَمَّا الَّذِينَ كَفَرُوا فَأُعَذِّبُهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَمَا لَهُمْ مِنْ نَاصِرِينَ
অনন্তর যারা অবিশ্বাসী হয়েছে তাদেরকে ইহকাল ও পরকালে কঠোর শাস্তি প্রদান করব তাদের কোন সাহায্য কারী নাই (সুরা আল ইমরান :৫৬)
আবিশ্বাসীদের প্রতি আরো বলা হয়েছে নিশ্চয় দোযখ প্রতীক্ষায় রয়েছে অবাধ্যদিগের প্রত্যবর্তনের জন্য তার মধ্যে তারা যুগ যুগান্তর অবস্থান করবে। বিশ্বাস জীবনে আনে সুখ-শান্তি, শৃঙ্খলা, সমৃদ্ধি, উল্থান, উন্নতী, অনাবিল আনন্দ আর ভালবাসা। আর অবিশ্বাস আনে জীবনে বিশৃঙ্খলা দুঃখ কষ্ট বিদ্বেষ এবং রোগ। প্রত্যেক প্রাণী একটা বিশ্বাসের উপরই বেচে থাকে। বিশ্বাস আছে বলেই এই সংসার সমাজ টিকে আছে। আমরা বেচে আছি। অবিশ্বাসে কোন স্থায়ী লাভ না থাকলেও রয়েছে সাময়ীক আনন্দ। কিন্তু কালের পরিক্রমায় দেখা যায় বিশ্বাসীরাই রয়েছে আর নাস্তিক অবিস্বাসিরা দলে দলে ধংশ হয়েছে। জীবন সৃষ্টির এক রহ্যস্য ইহা লয়ে ভাবলেই আমরা আল্লাহর অসীম ক্ষমতা, কুদরত আর অস্তিত্বের প্রমাণ পাই। অতি ক্ষুদ্র শুক্রবিন্দু হতেই মানুষ বা জীবনের সৃষ্টি। মাতৃ জঠরে দশ মাস দশ দিন থেকে একটা নিদৃষ্ট সময়ে মানব শিশু পৃথিবীতে আসে আবার পৃথিবীর মেয়াদ কাল শেষ হলে মৃত্যুর মধ্যো দিয়ে মানুষ আল্লাহ কাছে ফিরে যায়। আল্লাহ বলেছেন:
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ
আমি তোমাদের কে সৃষ্টি করেছি। অতএব তোমরা কেন উহার সত্যতা স্বীকার করবে না। (সুরা ওয়াকেয়াহ :৫৭)
إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْقَصَصُ الْحَقُّ وَمَا مِنْ إِلَهٍ إِلَّا اللَّهُ وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ (৬২) فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ بِالْمُفْسِدِينَ
নিশ্চয় ইহাই সত্য বিবরণ এবং আল্লাহ ব্যতিত কোন উপাস্য নাই। নিশ্চয় সেই আল্লাই মহা পারাক্রান্ত বৈজ্ঞানিক। অতপর তারা ফিরে যায় তবে নিশ্চয় আল্লাহ দুষ্কার্যকারীদিগকে পরিজ্ঞাত আছেন। (সুরা আল ইমরান :৬২:৬৩)
মহান আল্লাহ অস্তিত্ব সম্পর্কে বিশ্ববিখ্যাত বৈজ্ঞানিক আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, যে অনন্ত উর্ধ্বতন আত্মা আমাদিগের ভঙ্গুর এবং দুর্বল মনের নিকট নিজেকে অতি সামান্য মাত্রায় বিকশিত করেছেন। তার প্রতি বিনিত শ্রদ্বা, ভক্তি এবং ভয় মিশ্রিত প্রশংসাই আমার ধর্ম। একটা উচ্চতার বিচারশক্তি যা অবাধ্য বিশ্বে প্রকাশিত, তার অস্তিত্বে গভীর আবেগপুর্ণ বিশ্বাসই আল্লাহ সমন্ধে আমার ধারন। মিঃ আইনস্টাইন আরো বলেছেন তুমি আমাদিগকে তোমারই জন্য সৃষ্টি কারেছ। আমাদের আত্মা যতক্ষন না তোমাতে আশ্রয় লাভ করবে ততক্ষত অশান্ত থাকবে। জগৎখ্যাত আর এক বৈজ্ঞানিক নিউটন বলেছেন, একমাত্র চরম বুদ্ধিমার ও পরম ক্ষমতাশালী এক শক্তির নির্দেশেই সুর্য গ্রহ নক্ষত্র ও ধুমকেতুর এই আশ্চায্য সুন্দর জগত সৃষ্টি হতে পারে। অন্ধের যেমন বর্ণ সম্মন্ধে কোন জ্ঞান নাই তেমনই সর্ব জ্ঞানী আল্লাহ কিভাবে সকল বস্তু ধারন কারেছেন সে সমন্ধে কোন ধারনা করিতে আমরা সম্পুর্ণ অক্ষম।
ইংলান্ডের প্রখ্যাত রোমানেস স্বীকার করেছে “মহাবিশ্বকে কোনভাবেই মহাশক্তিমান আল্লাহর অস্তিত্ব স্বীকার না করে বুঝতে পারা সম্ভব না”। আল্লাহর সস্তিত্বে অবিশ্বাসীরা ধ্বংশ হবেই। পিছন ফিরে পুরাতন পৃথিবীর দিকে তাকালেই অনেক উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায়। ফেরাউন ঘোষনা করেছিল, أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَى আমি তোমাদের সবচেয়ে বড় প্রভু। (আন নাঝিয়াত: ২৪) মুছাকে ধংস করতে চেয়েছিল কিন্তু সে নিজেই দলবল সহ লহিত সাগরের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়ে ধংস হয়েছিল। নমরুদ সমগ্র জগতের বাদশাহী করেছিল। অবশেষে আল্লাহকে পরাস্ত করেতে চেয়েছিল। আল্লাহ তাকে ক্ষুদ্রতম একটা মশার দ্বারা দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় করে দিয়েছিলেন। ইহাই প্রমান করে যে, অবিস্বাসীদের ধংস অনিবার্য। ইহা কেহই রুখতে পারবে না। হাজার হাজার বছরের ইতিহাসের পাতা উল্টালে আর বিশ্বজগতের দিকে তাকালে বুঝতে পাই সত্যের জন্য বিশ্বাসের জয় বাতিলের ধংস নাস্তিকের বিলুপ্তি ঘটবেই ঘটবে। তাইতো মহান রব্বুল আলামীন বলেন, وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا বলুনঃ সত্য এসছেে এবং মথ্যিা বলিুপ্ত হয়ছে।ে নশ্চিয় মথ্যিা বলিুপ্ত হওয়ারই ছলি। (বনী ইস্রাইল:৮১)
আল্লার আসন সমগ্র বিশ্বজগতব্যপী সমানভাবে বিস্তৃত রয়েছে। পবিত্র কুরানে বারবার আল্লাহর সীমাহীন ক্ষমতা আার অস্তিত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বালেন:
وَللّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُواْ الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُواْ اللّهَ وَإِن تَكْفُرُواْ فَإِنَّ لِلّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَكَانَ اللّهُ غَنِيًّا حَمِيدًا
আর যা কছিু রয়ছেে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই আল্লাহর। বস্তুতঃ আমি নর্দিশে দয়িছেি তােমাদরে র্পূবর্বতী গ্রন্থরে অধকিারীদরেকে এবং তােমাদরেকে য,ে তােমরা সবাই ভয় করতে থাক আল্লাহক।ে যদি তােমরা তা না মান, তবে জনোে, সে সব কছিুই আল্লাহ তা’আলার যা কছিু রয়ছেে আসমান সমূহে ও যমীন।ে আর আল্লাহ হচ্ছনে অভাবহীন, প্রসংশতি। (সুরা নিসা ১৩১)
লেখক : পীর সাহেব,নওয়াপাড়া, অভয়নগর,যশোর। এবং যশোর -১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিনের শ্বশুর।