সাম্য ও সম্প্রীতির ইফতার মসজিদে-৯: যশোরের পুরাতন খুলনা বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে ইফতার আয়োজনে পাঁচ সদস্যের কমিটি

মারুফ কবীর >
রমজান মাসকে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাত এ তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে । মঙ্গলবার ছিলো রহমতের শেষ, দশম রমজান। এ দশদিনে রোজাদার মুসলমানের ওপর রহমত দান করেন আল্লাহতায়ালা। আজ বুধবার শুরু হচ্ছে মাগফেরাতের দশক। গুনাহ মাফের আশায় প্রতিটি মুমিন মুসলমান সিয়াম সাধনায় নিজেকে মশগুল রাখার চেষ্টা করবেন।
গতকাল সরেজমিনে যশোরের পুরাতন খুলনা বাসস্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে গিয়ে দেখা যায় এখানে ইফতার করছেন শতাধিক মুসাফির। অন্যান্য জেলা থেকে যশোর শহরের অন্যতম প্রবেশদ্বার মণিহার এলাকার পুরনো খুলনা বাসস্ট্যান্ড। স্ট্যান্ডের গাঁ ঘেষে মসজিদটির অবস্থান হওয়ায় ইফতারে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশি হয়।
মসজিদের মোয়াজ্জেম আলী আজম বলেন, রমজান মাসজুড়ে মুসাফিরদের ইফতার করাতে পাঁচ সদস্যের ইফতার কমিটি করা হয়েছে। ইফতার বণ্টনের জন্য আব্দুল আলিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া তদারকির দায়িত্বে আছেন মসজিদ কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম খাঁ বাবু। ইফতারের প্রতিদিন বাজেট ১২শ’ টাকা। ইফতারের জন্য মটর হাউজ এক বস্তা ছোলা, ২০ কেজি চিনি, এক বস্তা চিড়া ও ২৫ কেজি মুড়ি দিয়েছে। বকচর কোল্ড স্টোরেজ ২০ কেজি খেজুর, নিশান অটো ৫ কেজি ছোলা দিয়ে সহায়তা করেছে। ছোলা পাশের হোটেল থেকে রান্না করে আনা হয়। ইফতারের অন্যান্য সামগ্রি চাহিদা অনুযায়ী কিনে আনেন দায়িত্বরতরা। ইফতার খরচ মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে কমিটির সদস্যরা দিয়ে থাকেন। তাছাড়া আশপাশের এলাকার লোকেরাও দান করে থাকেন। অন্যান্য জেলা উপজেল্ াথেকে আগত মুসাফিররা সহজে এ মসজিদে এসে ইফতার করতে পারেন। মসজিদটি বাস স্ট্যান্ডের পাশে হওয়ায় ইফতারে মুসাফিরের সংখ্যা হয় উল্লেখযোগ্য। ইফতার শুরুর আগ মূহুর্তে মুসাফিরের সংখ্যা শতাধিক হয়ে যায়। তাছাড়া স্থানীয় অসহায় লোক, ভ্যান ও রিকশা চালক ইফতারে সামিল হন।